নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - মৃদু হিমেল হাওয়ায় মেতেছে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, বাদ যায়নি উপকূলও। মিষ্টি হিমেল বাতাসে সূর্যোদয় দেখতে দীঘায় ভীড় জমালো পর্যটকরা। সমুদ্রের গর্জন সঙ্গে সূর্যোদয়ের সোনালী আভা, প্রকৃতির ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপে নিমগ্ন সমুদ্রপাড়। হালকা চাদর গায়ে দিয়েই শীতের সকালে সৈকতে ঘুরছেন বহু মানুষ।
ক্যালেন্ডারে নভেম্বরের পাতা উল্টাতেই বদলে গেলো রাজ্যের আবহাওয়া। মৃদু শীতল প্রভাব থেকে মোটে বাদ পড়েনি দীঘা সমুদ্রসৈকত। সমগ্র সমুদ্রতট হয়ে উঠেছে দ্বিগুণ সুন্দরী। সকালে আলো ফোটার সঙ্গেই চারিদিক ঢেকেছে হালকা কুহেলিকায়। সেই কুয়াশার আবরণ ভেদ করেই শীতের নরম হওয়ার সঙ্গে সমুদ্র গর্জন সৃষ্টি করেছে এক বিশেষ আবহের। চাদর গায়ে দিয়েই রোদ মাখতে বিভোর পর্যটকরা। এনে দিয়েছে আলাদা এক প্রশান্তি। কেউ হাঁটছেন সমুদ্রসৈকতে, কেউ রোদ পোহাতে মত্ত আবার কেউ পাড়ে বসে উপভোগ করছে অপরূপ শোভা।

সব ঋতুরই আলাদা তাৎপর্য থাকে, গ্রীষ্ম বর্ষার মতো শীতকালেও দীঘা প্রত্যেক পর্যটকের অন্যতম আকর্ষণ কেন্দ্র। বর্ষায় সমুদ্রসৈকতের মাতাল রূপ যেমন পর্যটকদের কাছে মনোরম দৃশ্য তেমনি শীতকালেও রোদে গা গরম করতে আগমণ ঘটে পর্যটকদের।
স্থানীয় এক হোটেল ব্যবসায়ী জানিয়েছেন ," নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে আরও জোরকদমে ঠান্ডা পড়বে। শীত বাড়লে ছুটি কাটাতে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে, এরফলে ব্যবসাতেও উন্নতি ঘটবে ।"
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয় ছিটমহলবাসীরা
নির্বাচন কমিশনসহ বিজেপিকে ধিক্কার শাসক দলের
সভামঞ্চ থেকে কড়া বার্তা বিরোধী দলনেতার
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই ক্ষুদ্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত গৌতম সাহা
রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা বিজেপির
জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃতদের
তৃণমূলের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করার অভিযোগ শাহের
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর