নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - গভীর রাতে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে ফের উত্তপ্ত শান্তিপুর। ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৌচাক কলোনির রাজপুত পাড়া লেনে। শনিবার রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী ভাঙচুর চালায় এলাকার বাসিন্দা অজয় দত্তের দুটি প্রাইভেট গাড়িতে। পরদিন সকালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য সহ আতঙ্ক।
সূত্রের খবর , অজয় দত্ত দীর্ঘদিন ধরেই তার দুটি গাড়ি স্কুলভ্যান হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। প্রতিদিন এলাকার বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল তার ওপর। রাতে মাঠের ধারে গাড়ি দুটি পার্ক করে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু গাড়ির কাচ ভাঙা নয় , গাড়ির ভিতরের জিনিসপত্রও তছনছ করে দেয় তারা।

ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার সকালে গাড়ির কাছে পৌঁছেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন অজয় দত্ত। এই ঘটনার পর শান্তিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , ঘটনার রাতে সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে আটক করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ। তবে মূল দোষীদের ধরতে তদন্ত চালাচ্ছে তারা।
অজয় দত্তের অভিযোগ , এর আগেও এলাকায় একাধিকবার দুষ্কৃতী তাণ্ডব হয়েছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই ফের এমন ঘটনা ঘটল বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। রাতের অন্ধকারে জনবহুল এলাকায় এধরনের হামলায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে , ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে প্রশ্ন উঠছে , শহরের অভ্যন্তরে কিভাবে বারবার দুষ্কৃতীরা এমনভাবে হামলা চালাতে পারে ? নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্নচিহ্ন।
অজয় দত্ত এপ্রসঙ্গে জানান , ''এমন কাণ্ডের কোনো পূর্বাভাস ছিল না আমার কাছে। গাড়ি দুটি ছিল আমার রোজগারের একমাত্র ভরসা। এভাবে চক্রান্ত করে আমার জীবিকা বন্ধ করার চেষ্টা কে বা করা করল আমি তা জানতে চাই। এই অন্যায়ের প্রতিকার চাই আমি প্রশাসনের কাছে।''
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়