নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ দিনাজপুর - অনালাইনে শাড়ি কিনে দাদুর কাছে টাকা চেয়েছিলেন নাতনি। সময়মত টাকা না পাওয়ায় অভিমানে আত্মঘাতী হলেন দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রী বিচিত্রা রায়। ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গঙ্গারামপুর এলাকায়। মেয়ের মৃত্যু মানতে নারাজ পরিবার সহ স্থানীয়রা।
সূত্রের খবর , অনালাইনে একটি শাড়ি কিনে ক্যাশ ডেলিভারি করেছিলেন নাতনি। শাড়ি আসার পর দাদুর কাছে টাকা চাওয়ায় পায়নি নাতনি। দাদু জানিয়েছিলেন পরে দেবে। এরপরই অভিমান করে নিজেকে শেষ করে দেন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে গলায় দড়ি দেন। কিছুক্ষণ পর কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
শনিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য বালুরঘাট মর্গে পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এক প্রতিবেশী জানিয়েছেন , "পড়াশোনায় ভীষণই মেধাবী ছিলেন। ভাল ফলাফল করতেন। যথেষ্ট শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিলেন বিচিত্রা। কখনোই উগ্র মনোভাব প্রকাশ পায়নি। এই সামান্য কারণের জন্য এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। ভাবতেই পারছিনা এমন একটা কাজ করে ফেলবে।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়