নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - একদিকে যখন মন্দির - মসজিদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। সেই সময় বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের করা মন্তব্যে। ভগবান রাম সম্পর্কে তার মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পাল্টা প্রতিবাদে সরব বিজেপি।
সম্প্রতি কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র প্রকাশ্য সভায় মন্তব্য করেন, ' আমি একবার দিল্লিতে বিজেপির এক বড় নেতাকে দেখে জিজ্ঞাস করেছিলাম রাম হিন্দু ছিল তার পদবী কি ছিল বলুন। কিন্তু তিনি তা বলতে পারেনি। নানাভাবে ঘুরিয়ে গেছে কিন্তু উত্তর দিতে পারেনি। আমি বলছি রাম হিন্দু ছিল না মুসলমান ছিল। কি করবে বিজেপির লোকেরা আমাকে মেরে ফেলবে? ফেলুক কিন্তু আমি তাও বলবো। কিছুক্ষণ পরে একজন এসে বললেন রাম হিন্দু ছিলেন তার নাম ছিল রাম জেদমালানি।'
মদন মিত্র আরও বলেন,'কোনো হিন্দু বিশ্বাস করবে রামের পদবি জেদমালানি ছিল। আর আপনারা সেটা বিশ্বাস করে রামকে পুজো করতে যান।' তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্যকে ঘিরে শোরগোল পড়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মদন মিত্রের মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। তাদের বক্তব্য, এত গুরুতর মন্তব্যের পরও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন নীরব রয়েছেন। ধর্মীয় বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে এই ধরনের মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে এবং তা অত্যন্ত বিপজ্জনক।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয় ছিটমহলবাসীরা
নির্বাচন কমিশনসহ বিজেপিকে ধিক্কার শাসক দলের
সভামঞ্চ থেকে কড়া বার্তা বিরোধী দলনেতার
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই ক্ষুদ্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত গৌতম সাহা
রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা বিজেপির
জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃতদের
তৃণমূলের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করার অভিযোগ শাহের
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর