নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - পুলিশের হেফাজতে বন্দি অবস্থায় ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু। সাত দিন পর কফিনবন্দি দেহ বাড়িতে পৌঁছাল। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাসনাবাদ এলাকায়। এ বিষয়ে পুলিশ বা প্রশাসনের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , দেবানন্দ সানা হাসনাবাদ রেলগেট সংলগ্ন রামকৃষ্ণ পল্লীর বাসিন্দা। প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে গোয়ায় কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি। ২৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার প্রতিদিনের মতো কাজে যাওয়ার আগে মায়ের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে, দুপুরে বন্ধুদের মারফত পরিবার জানতে পারে ভাস্কো-ডা-গামা থানার পুলিশ দেবানন্দকে আটক করেছে। তবে কারণ জানা যায়নি। পরদিন সকালে গোয়ার একটি হাসপাতাল থেকে পরিবারকে জানানো হয়, ছেলে সেখানে ভর্তি, কেউ যেন পৌঁছায়। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে পরিবারের পক্ষে গোয়ায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
এরপর শুক্রবার হাসপাতাল থেকে নিশ্চিতভাবে জানানো হয়, দেবানন্দ আর বেঁচে নেই। একমাত্র উপার্জনকারী হারানো পরিবারকে কার্যত দিশাহীন করে তোলে। পরে স্থানীয় কাউন্সিলর সুনীল সরদারের সাহায্য, প্রশাসনিক সমন্বয়ে দেহ এক সপ্তাহ পর বাড়িতে পৌঁছায়।
এ প্রসঙ্গে নিহতের মা জানান, 'পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন কীভাবে সুস্থ ছেলে মারা গেল? ওকে নিশ্চয় হত্যা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের একটাই আবেদন, সঠিক তদন্ত হোক। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই। আমরা গরিব, কিন্তু ন্যায় পাওয়া আমাদের অধিকার'।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর