নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - সামনেই দুর্গাপুজো। আর পুজোর আগেই রাস্তার বেহাল দশা নবগ্রামে। নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাস্তা সহ নিকাশি ব্যবস্থা ঘিরে চরম দুর্ভোগে ভুগছেন সাধারণ মানুষ। এরই মাঝে পঞ্চায়েত প্রধানের মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড় বইছে নবগ্রাম এলাকায়।
সূত্রের খবর , হুগলির কোন্নগরের অন্তর্গত নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাস্তা সহ নিকাশি ব্যবস্থা ঘিরে চরম দুর্ভোগে ভুগছেন সাধারণ মানুষ। সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান জল জমে যাচ্ছে রাস্তায়। কাদামাখা পথ আর জলজটে কার্যত চলাচল অক্ষম হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। নবগ্রাম এলাকায় একাধিক বড় স্কুল রয়েছে। প্রতিদিন বহু ছাত্রছাত্রী দূরদূরান্ত থেকে পড়তে আসে। বেহাল রাস্তায় প্রতিদিন যাতায়াত করতে পড়ুয়া সহ অভিভাবকেরা উভয়েই আতঙ্কে থাকেন। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নবগ্রামে নতুন পঞ্চায়েত বোর্ড এসেছে প্রায় আড়াই বছর আগে। কিন্তু এতদিনেও রাস্তাঘাট বা নিকাশি ব্যবস্থার কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন চোখে পড়েনি। এলাকাবাসীর অভিযোগ , সমস্যার সমাধানের বদলে তারা পাচ্ছেন আশ্বাস আর দায় এড়ানোর চেষ্টা। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত প্রধান সোমা দাসের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ জমেছে বাসিন্দাদের মধ্যে। সোমা দাস জানান , এলাকার রাস্তার অবস্থা সত্যিই খারাপ। স্কুল পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের যদি বিকল্প রাস্তা দিয়ে ঘুরে যেতে হয় , তাহলে সেটাই ভালো। তবে পুজোর আগে রাস্তা ঠিক করা সম্ভব নয়। এই মন্তব্য শুনে রীতিমত ফুসছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা গনেশ সাহা এপ্রসঙ্গে জানান , “দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এই অবস্থা চলছে। যাতায়াত করা যায় না। সামনেই পুজো মানুষ চলবে কিভাবে? পুজোর মুখে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। অবিলম্বে সমস্ত রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থা সংস্কার করা দরকার।”
''বিজেপির মন্ডল সভাপতি রাজেশ রজক কড়া ভাষায় বলেন , “নবগ্রাম পঞ্চায়েত তোলাবাজিতে প্রথম , পরিষেবায় শেষ। এখনকার প্রধান সিপিএম সহ প্রোমোটারদের নিয়ে পঞ্চায়েত চালাচ্ছেন। আগে কখনও এমন অবস্থা দেখা যায়নি।”
সিপিএম - এর পঞ্চায়েত বিরোধী দলনেতা জয়দীপ মুখার্জী জানান , “এই পঞ্চায়েত সম্পূর্ণ ব্যর্থ। রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। প্রধান দায় এড়াতে পারেন না। তৃণমূল নেতৃত্ব , পঞ্চায়েত সমিতি , জেলা পরিষদ , বিধায়ক , সাংসদ সব তৃণমূলের, তাই দায় তাদেরই।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়