নিজস্ব প্রতিনিধি , শিলিগুড়ি - পুজোর ঠিক আগের মুহূর্তেই বোনাস পান চা বাগান থেকে শুরু করে অফিস কর্মীরা। তবে হঠাৎই বন্ধ করে দেওয়া হল বোনাস। শুধু তাই নয় , মজুরির থেকেও কেটে নেওয়া হল অর্ধেক টাকা। পুজোর মুখে এহেন অন্যায় মেনে নিতে না পেরে বিক্ষোভ দেখালেন ডুয়ার্সের এলেনবাড়ি চা বাগানের শ্রমিকরা।

সূত্রের খবর, গত ২৩ শে জুলাই এলেনবাড়ি চা বাগান কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় , প্রত্যেকদিন ১৫ কেজি করে চা পাতা তুলতে পারলে মজুরি থেকে অর্ধেক কেটে নেওয়া হবে। এরপরই আগষ্ট মাসে তৃনমূল চা বাগানের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানান শ্রমিকরা। ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে সাময়িক মীমাংসা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
২০ শতাংশ বোনাসের দাবি করেন চা বাগানের কর্মীরা। সেটা দেওয়ার নাম তো নেইই উল্টে পুজোর মুহূর্তে এমন অর্ধেক মজুরি কেটে নেওয়ায় ভীষণই সমস্যার মুখে পড়েছেন তারা। পরিবারে আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিন কাটান সকলেই। সেক্ষেত্রে এহেন সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না তারা। ছেলে মেয়েদের পুজোর জামাকাপড় কিনে দেবেন কিভাবে? কিভাবেই বা পরিবারের জন্য কিছু করবেন? এমন সব প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। শুধু তাই নয় , সকলেই বলছেন এই অন্যায়ের স্থায়ী মীমাংসা হওয়ায় উচিত। তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে চা বাগানের মালিক মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান কর্মীরা।

ঘেরাও চলাকালীন পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে থাকে। এমন সময় তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের মাল ব্লক কমিটির সভাপতি পূরণ লোহার সহ তৃনমূলের বাগরাকোট অঞ্চল কমিটির সভাপতি রাজেশ ছেত্রীর পরিস্থিতি সামাল দেন। অভিযোগকারীদের দাবি , প্রত্যেক দিন ১৫ কেজি চা পাতা তোলা সম্ভব নয় , কারণ মালিকপক্ষের তরফে কোনরকম সুযোগ সুবিধে দেওয়া হয়না।
এক মহিলা কর্মী বলেছেন, "বাচ্চাদের নিয়ে এসে কাজ করি আমরা। একটু দুধ বিস্কিটও দেয়না। মালকিন তো একজন মেয়ে সে না বুঝলে কে বুঝবে। ইউনিয়নের কথা শুনে চলি আমরা। এখন ইউনিয়ন বলছে মালকিন , ম্যানেজার কথাই শুনছে না। মালকিনের ব্যবহার খুব খারাপ। জঘন্য ব্যবহার করে আমাদের বাচ্চাদের সঙ্গেও। এই সময় আমরা বাচ্চাদের একটু জামাকাপড় কিনে দেওয়ার চেষ্টা করি। কিভাবে হবে এবার বলুন। বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার জন্যও কোনরকম সুযোগ সুবিধে দেওয়া হয়না। এই সময় এমন অত্যাচার করলে আমাদের বাচ্চাদের কি হবে?"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়