নিজস্ব প্রতিনিধি , শিলিগুড়ি - শিলিগুড়ির অন্যতম জনপ্রিয় মার্কেট হায়দারপাড়া। প্রায় কয়েকশো মানুষ রোজ ওই মার্কেট থেকে সব্জি বাজার করেন। দুর্গাপুজো , লক্ষ্মীপূজায় আকাশছোঁয়া দাম দিয়েই জিনিস কিনেছেন সাধারণ মানুষ। পুজো আপাতত কিছুদিন স্থগিত। তবে দামে কোনো হেরফের হচ্ছে না। সেই একই আগুন দামে কেনাবেচা হচ্ছে ওই বাজারে।
শুধু যে সব্জি বাজার তা নয় , ফলের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। সকলেই তাকিয়ে ফিরে চলে আসছেন। কারণ দাম শুনে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। বিকৃত মতে , উত্তরবঙ্গের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির জেরে কমলালেবু আমাদনি এখন বন্ধ। তাই যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে ততদিন এমনই অবস্থা থাকবে বাজারের। তাদের মতে ২-৩ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম কমতে পারে। তবে আপাতত কোনো আশা নেই।
এক বিক্রেতা বলেছেন , "এখন ভরা পুজোর মরশুম। ছট পুজো , কালীপুজো, ভাইফোঁটা , সত্যি বলতে দাম বাড়লে আমাদেরও ভীষণ চাপ। কারণ, আমরা বিক্রি করলে কি হবে আমাদেরও তো কিনতে হয়। আর বিপুল দাম হলে সবথেকে বড় ব্যাপার বিক্রিবাট্টা খুব কমে যায়। সেখানে লাভের থেকে ক্ষতির সংখ্যা বেশি থাকে। ক্রেতারা বাজারে না এলে আর আমাদের কি লাভ। তাদের মুখের দিকে চেয়েই তো দিন কাটে আমাদের। আমরা সকলেই চাই খুব দ্রুত দাম কমুক। যাতে উভয়পক্ষই অনেক ভাল থাকে। এরপর কম বেশি ওটা আলাদা ব্যাপার। তবে এখন দাম অত্যধিক বেশি।"
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়