নিজস্ব প্রতিনিধি , শিলিগুড়ি - পুজোর ঘণ্টা বেজে গেছে। আর মাত্র কয়েকদিন বাদেই আলোয় আলোকিত হয়ে উঠবে রাস্তাঘাট। পুজোর কয়েকদিন রাস্তাঘাটে যে বিপুল যানজট দেখা যায় তা মানুষের মনে আলাদা করে জায়গা করে নেয়। পুজোর দিনগুলোয় মানুষ এইভাবেই অভ্যস্ত। তবে বাকি দিনগুলোতে শহরের যানবাহনের বিশাল আওয়াজ যেন মানুষের অতিষ্ট করে তোলে। ঠিক তেমনই একটি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা।
পুজোর আগেই শিলিগুড়ির হাকিমপাড়া তিলক রোড স্টেডিয়ামের পাশে একটি রাস্তায় বেড়ে গেছে যানবাহনের চলাচল। সারাদিন সাইকেল, রিক্সা তো বটেই তবে বাইক , গাড়ির আওয়াজ যেন অতিষ্ট করে তুলেছে সাধারণ মানুষদের। আশেপাশের লোকজনেরা শান্তিতে বাইরেও বেরোতে পারছেন না। ঠিকভাবে রাস্তায় হাঁটাচলা অবধি করতে পারছেন না তারা।
শিলিগুড়ি পুলিশ সহ পুরসভার কাছে বিরাট মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে এই রাস্তা। বিকেল বেলা শান্তিতে ঘুমোতেও পারেন না এলাকার বাসিন্দারা। শব্দ দূষণের সমস্যা নতুন নয় , বহুযুগ ধরে এই সমস্যা চলে আসছে। এছাড়াও, রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে পড়ছে দু চাকা থেকে শুরু করে তিন চাকা। প্রত্যেক গাড়ি চাইছে একে অন্যকে টপকে যেতে। সেক্ষেত্রে গাড়ির হর্নের শব্দ অনেকবেশি বেড়ে গেছে। তাই পুজোর আগে এহেন সমস্যায় নেন নাজেহাল হয়ে উঠেছে শিলিগুড়ি পুরসভা।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়