নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনায় থমথমে চাঁচল মহকুমার মালতিপুর পঞ্চায়েতের গঙ্গাদেবী গ্রাম। বুধবার বিকেলে প্রকাশ্য দিবালোকে এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে ধৃতকে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।
সূত্রের খবর , মৃত ব্যক্তির নাম আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজু। বয়স ৪০। তিনি রতুয়া থানার অন্তর্গত সামসি পঞ্চায়েতের ভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার বিকেল তিনটে নাগাদ মাখনার জমি থেকে মাখনা আনতে যান আব্দুর রাজ্জাক। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর পরিবারের কাছে খবর আসে , কে বা কারা তাকে ছুরি বা হাঁসুয়ার কোপে হত্যা করেছে।
এরপর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সহ অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মৃতদেহ আটকে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসী সহ আত্মীয় - পরিজনেরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সামসি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রামচন্দ্র সাহা। সামসি হাসপাতালে মৃতদেহ আনা হওয়ায় ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে বলে জানান তিনি।

এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই খুনের ঘটনায় সেলিম আক্তার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। সেলিম গঙ্গাদেবী গ্রামেরই বাসিন্দা। পেশায় একজন পরিযায়ী শ্রমিক। তিনদিন আগে সে বাড়ি ফিরেছে। স্থানীয়রা দাবি করেন , এদিন ঘটনার সময় সেলিম মাঠে ঘাস কাটছিল। সেখানেই কোনও বিষয় নিয়ে আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে বচসা বাধে। তারপরেই সেলিম হাঁসুয়া দিয়ে রাজ্জাককে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ।
মৃত আব্দুর রাজ্জাকের বাবা মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন জানান , ''ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রাজ্জাককে পরে থাকতে দেখি। এরপর ওকে উদ্ধার করে সামসি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসকরা আমার ছেলেকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আমি আমার ছেলের মৃত্যুর জন্য দোষীর কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।''
মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী লুৎফা বিবি জানান , ''আমাদের তিনটি ছেলে ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। রাজ্জাক ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। এবার আমাদের সংসার চলবে কিভাবে। আমি আমার স্বামীর খুনির শাস্তি চাই।''
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়