নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব বর্ধমান - ফের রাজনৈতিক অশান্তিতে সরগরম হয়ে উঠল বর্ধমান শহরের রসিকপুর এলাকা। গভীর রাতে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটে গেল ভাঙচুর ও দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই যুব গোষ্ঠীর মধ্যকার দ্বন্দ্বের জেরেই এই হামলার ঘটনা। ভাঙচুর করা হয় তিন নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন যুব সভাপতি শেখ সাহেবের বাড়িতে।

সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতের অন্ধকারে হঠাৎই একদল দুষ্কৃতী রসিকপুর মসজিদতলা এলাকায় প্রবেশ করে। এরপরই শুরু হয় ইট-পাটকেল ছোঁড়া, গালিগালাজ ও বাড়িঘর ভাঙচুর। আতঙ্কে গোটা এলাকা মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনার জন্য সরাসরি বর্তমান যুব সভাপতি শেখ আজহারউদ্দিন ওরফে বান্টির গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন প্রাক্তন সভাপতি শেখ সাহেব। তাঁর অভিযোগ, “বান্টির নেতৃত্বেই এই হামলা হয়। সভাপতি হওয়ার পর থেকে তার বিপুল সম্পত্তি বেড়ে গিয়েছে। এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই আমার বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে।”


শেখ সাহেব আরও দাবি করে বলেন , হামলাকারীদের মধ্যে প্রায় ৩০ জনকে তিনি চিনতে পেরেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শেখ মিলন, শেখ রুবেল, ভোম্বল শেখ প্রমুখ। তাঁর বক্তব্য, “আমার মা বাবা থেকে শুরু করে ছোট্ট শিশুকন্যাও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। আমাদের প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে। যেকোনো সময় আমাদের মেরে ফেলার চক্রান্ত হতে পারে।” তিনি জানান, ঘটনার পরেই বর্ধমান সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শেখ সাহেবের মা মনোহরা শেখ জানান, ২০২১ থেকে একই ভাবে অত্যাচার চলছে, অথচ এর প্রতিবাদ করার মতো কেউ নেই এমনকি পুলিশি সহযোগিতাও নেই। ছেলে সৎ দলের সদস্য হওয়ার কারণেই এত হিংসা। ছেলের সঙ্গে কারোর সুসম্পর্ক তৈরি হলে তার ওপরেও গিয়ে হামলা করা হচ্ছে। এদের সকলের কঠোর শাস্তির প্রয়োজন।

তবে সমস্ত অভিযোগ একেবারেই অস্বীকার করেছেন বর্তমান যুব সভাপতি শেখ আজহারউদ্দিন ওরফে বান্টি। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আসলে ওরা নিজেরাই এই ধরনের কাজ করে আমাদের নামে দোষ চাপাচ্ছে। আমি বা আমার লোকজন এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নই।”
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়