নিজস্ব প্রতিনিধি , লখনউ - পণের দাবিতে অত্যাচার-সহ বধূর মৃত্যুর মামলায় বড় সিদ্ধান্ত এলাহাবাদ হাই কোর্টের। স্বামীর সাজা পুরোপুরি মকুব করেনি আদালত। তবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। এই রায় ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।
মূল ঘটনাটি প্রায় ১৬ বছরের পুরনো। ২০১০ সালে সন্দীপ সিং হোরার স্ত্রীর মৃত্যু হয়। এরপর পণের দাবিতে নির্যাতনের কথা সামনে আসে। সেই সূত্রেই শুরু হয় মামলা। পরে বিষয়টি গড়ায় নিম্ন আদালতে। সেখানে হোরার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পণের জন্য হেনস্তা করার কথা উঠে আসে। শেষ পর্যন্ত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই এলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন হোরা। তাঁর দাবি ছিল, স্ত্রীকে নির্যাতনের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগের কোনও প্রমাণ নেই। পণের জন্য হেনস্তা করেছেন, এমন প্রত্যক্ষ প্রমাণও মেলেনি। তাই সাজা বাতিলের আবেদন জানান তিনি। সম্প্রতি লখনউ বেঞ্চে সেই আবেদনের শুনানি হয়।
বিচারপতি আবদুল মইন ও বিচারপতি প্রমোদ কুমার শ্রীবাস্তবের বেঞ্চ মামলাটি শোনে। শেষ পর্যন্ত হোরাকে পুরোপুরি অব্যাহতি দেয়নি আদালত। তবে তাঁর সাজা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পণের দাবিতে অত্যাচারের প্রমাণ থাকাই গুরুত্বপূর্ণ। সেই নির্যাতন স্বামীই করেছেন, এমন সরাসরি প্রমাণ সব সময় জরুরি নয়। একই ভাবে শ্বশুরবাড়ির নির্দিষ্ট কোনও সদস্যের বিরুদ্ধেও প্রত্যক্ষ প্রমাণ বাধ্যতামূলক নয়। আদালত আরও জানায়, বিয়ের ৭ বছরের মধ্যে কোনও মহিলার শারীরিক হেনস্তার কারণে মৃত্যু হলে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
এমন পরিস্থিতিতে পণের দাবিতে নির্যাতনের অনুমান করা যেতে পারে। তাই শুধু স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রমাণ নেই বলে মামলা খারিজ করা যাবে না। তবে হাই কোর্ট একই সঙ্গে সাজা কমানোর কারণও ব্যাখ্যা করেছে। আদালতের মতে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় পণের দাবিতে অত্যাচারের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু সর্বোচ্চ সাজা বিরলতম গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এই মামলায় হোরার বিরুদ্ধে সরাসরি নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই বিষয়টিই সাজা কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্ব পেয়েছে।
ফলে যাবজ্জীবনের বদলে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেল হেফাজতে ইতিমধ্যে যতদিন কাটিয়েছেন, সেই সময়ও ১০ বছরের সাজার মধ্যেই ধরা হবে। অর্থাৎ কারাবাসের আগের সময়ও সাজা থেকে বাদ যাবে। তবে আদালত তাঁকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে ঘোষণা করেনি। পণের দাবিতে বধূর মৃত্যুর মামলায় এই পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। বিশেষ করে প্রত্যক্ষ প্রমাণের অভাব থাকলেও পরিস্থিতি ও অন্যান্য তথ্য কী ভাবে বিচার করা হবে, সে বিষয়ে আদালতের বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে সাজা নির্ধারণের সময় মামলার পরিস্থিতিও বিবেচনা করতে হবে বলে বার্তা দিয়েছে হাই কোর্ট।
১৫ দিনে প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে দাম, বিদেশ থেকে চিনি আনার অনুমতিও কেন্দ্রের
১৮টি উড়ান বাতিল, ১৬৬টি বিমান ওঠানামায় দেরি, দিল্লি-এনসিআরে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা
ট্রেনের চাদর নিয়ে এমন বেপরোয়া আচরণে নেটদুনিয়ায় শুরু সমালোচনা
লোকসভার সঙ্গেই ভোটের পথে ২২ রাজ্য, এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলিতে বড় বদলের জল্পনা
পরিবারের গৃহকর্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে গ্যাসের টাকা! বছরে ৩ সিলিন্ডার ফ্রি বিজয়ের রাজ্যে
বিয়ের ৪ মাসের মধ্যেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, স্বামী-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ
মানুষ পাঠানোর আগে একের পর এক পরীক্ষা, গগনযান ঘিরে বড় ঘোষণা ISRO চেয়ারম্যানের
দাবি পূরণে কেন্দ্রের উপর চাপ, কালো আইন বাতিলের সুরে রাজধানীতে আন্দোলন
জাতভিত্তিক কোটা বন্ধের দাবি, আলোচনার পথেই সমাধানের পক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
২৭ অগস্ট রাত থেকে ২৮ অগস্ট রাত, সঙ্গীরও লাগবে না ভাড়া
ঢাকার দাবির মাঝেই প্রতিবেশী নীতি নিয়ে ভারতের অবস্থান জানালেন বিদেশমন্ত্রী
ভিলেন হওয়ার ফাঁদে পা নয়! তরুণ বিক্ষোভ সামলাতে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশ
'স্কুল ঠিক করো' কর্মসূচি এবার বিপাকে, দীপকের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রে এফআইআর
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের