নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - চরম জলসংকটে ব্যান্ডেল ইএসআই হাসপাতাল। গত রবিবার সকাল থেকে জল সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন চিকিৎসক, নার্স থেকে শুরু করে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের পরিজনেরা। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। পানীয় জল থেকে শুরু করে শৌচালয়ের জলের অভাবে কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে হাসপাতালের দৈনন্দিন পরিষেবা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুটি জলের পাম্প একসঙ্গে খারাপ হয়ে যাওয়ায় ওভারহেড ট্যাঙ্কে জল তোলা যায়নি। ফলে হাসপাতালের প্রায় সব ওয়ার্ডেই দেখা দেয় জল সংকট। পরিস্থিতি সামাল দিতে চুঁচুড়া পুরসভা থেকে একটি জলের ট্যাঙ্ক আনা হয়। এছাড়াও জরুরি ভিত্তিতে পানীয় জলের যোগান দিতে কুড়ি লিটারের জলের জার কিনে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পাঠানো হয়।

তবে শৌচালয়ে রাত পর্যন্ত একফোঁটা জল না থাকায় সমস্যায় পড়েন রোগীরা। একাধিক রোগীর অভিযোগ, হাসপাতালের মতো জায়গায় এমন অব্যবস্থা অচিন্তনীয়। সকাল থেকে জল না পেয়ে ভয়ানক অসুবিধায় আছি।”

কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বোতলের জল কিনে ব্যবহার করেছেন। হাসপাতালের সুপার বা ওয়ার্ড মাস্টার মুখ খুলতে না চাইলেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, রবিবার রাতেই ইছাপুর থেকে মিস্ত্রি ডেকে এনে পাম্প সারানোর কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার সকালেও ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ করতে দেখা গেছে। ওভারহেড ট্যাঙ্কে জল না ওঠায় বিকল্প পাইপলাইনের মাধ্যমে কিছুটা জল সরবরাহ করা হয়েছে, তবে তা পর্যাপ্ত নয়।

জানা যাচ্ছে, দুটি পাম্পের যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ায় সম্পূর্ণ মেরামতির কাজ শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। ততদিন পর্যন্ত পুরসভা থেকে জল এনে ও জার কিনে হাসপাতালের পানীয় ও ব্যবহারযোগ্য জলের ব্যবস্থা চালিয়ে যাওয়া হবে।হাসপাতালের এক রোগী জানান, “কাল সকাল থেকে জল ছিলনা। আমরা বাইরে থেকে জল এনে খাচ্ছিলাম। আজ সকাল ৮ টা থেকে জল আসা শুরু করে। এখন সেগুলোই নিয়ে আসছি।”
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়