নিজস্ব প্রতিনিধি , হাওড়া - মাত্রাতিরিক্ত ঋণের বোঝা, লাগাতার মানসিক অত্যাচার! সহ্য করতে না পেরে শেষমেশ গলায় ফাঁস লাগিয়ে জীবনের ইতি টানলেন রাকেশ চন্দ্র। মৃত্যুর আগে মোবাইলে রেকর্ড করে রেখে গেলেন এক হৃদয়বিদারক বার্তা। ঘটনায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে গোটা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ভিডিওতে রাকেশ জানান, এক স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে তিনি মাত্র পাঁচ লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তাঁর কাছে ২৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকার এই অস্বাভাবিক তাগাদায় প্রতিদিন ফোনে চলছিল চাপ ও হুমকি। রাকেশ অনুরোধ করে গিয়েছেন, “মা ও বোনকে যেন কেউ বাড়ি থেকে তাড়িয়ে না দেয়, বোনের বিয়ের ব্যবস্থা যেন হয়।” রাতের অন্ধকারে নিজের ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা আনিসুর রহমান মিদ্দে জানান, রাকেশ চন্দ্র সরকারি প্রকল্পে কাজ করেছিলেন । কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছাকৃত সেই টাকা ফেরত দেয়নি। রাকেশকে বিভিন্ন ভাবে ফোনে হুমকি দেওয়া হতো। আমরা চাই দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।”

অভিযুক্ত চিকিৎসক কাশী মাইতি দাবি করেছেন, “রাকেশ ২৫ লাখ টাকা ধার নিয়েছিল, আমি শুধু আমার প্রাপ্য টাকা ফেরত চেয়েছি, কোনোরকম চাপ দিইনি ।”

এদিকে, রাকেশের পরিবারের অভিযোগ একেবারেই অন্যরকম। তাদের কথায়, চার বছর আগে রাকেশ একটি বড় প্রকল্পে কাজ করেছিলেন, কিন্তু প্রায় ১৮ লাখ টাকার পেমেন্ট তিনি পাননি। কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছে করে সেই টাকা আটকে রেখেছে। কাজের টাকা আটকে থাকা ও ঋণের টাকা শোধের তাগিদে মানসিক চাপে দিন দিন ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত এই মানসিক যন্ত্রণাই তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়। পরিবারের আবেদন, “যারা রাকেশকে মানসিকভাবে চাপে ফেলেছে, পুলিশের উচিত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।” স্থানীয় মানুষও একবাক্যে দোষীদের শাস্তির দাবি তুলেছেন।

রাকেশের মা রাখি চন্দ্র জানান, আমার ছেলে ডাক্তারবাবুর বাড়িতে প্রমোটিংয়ের কাজ করেছিল । আমার ছেলে আমায় বলেছিল ৫ লাখ টাকার বিনিময় বারবার ফোন করে হুমকি দিত। অথচ ডাক্তারবাবুর দাবি আমার ছেলে নাকি ২৫ লাখ টাকা ধার নিয়েছে। যদিও আমি সঠিক জানিনা ।ছেলের ওপর প্রচণ্ড চাপ ছিল। আমি শুধু চাই যারা দায়ী, তাদের শাস্তি হোক।”
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর