নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - স্বাধীনতার ইতিহাস বহন করে চলা কানাইলাল বিদ্যামন্দির আজ দাঁড়িয়ে আছে ভগ্নদশায়। যে বিদ্যাপীঠে বিপ্লবী কানাইলাল দত্ত পড়াশোনা করেছিলেন , আজ সেই প্রতিষ্ঠানই অবহেলার অন্ধকারে হারাচ্ছে তার ঐতিহ্য। সরিষাপাড়ায় তার মামার বাড়ির এক জীর্ণ ঘরে রাখা মূর্তি পর্যন্ত ঢেকে আছে বিজ্ঞাপনের ব্যানারে। যেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের কথা , সেখানে দাঁড়িয়েছে অবহেলার চিহ্ন।
স্থানীয় সূত্রের খবর , বিদ্যাপীঠে বিপ্লবী কানাইলাল পড়াশোনা করেছিলেন , বিপ্লবী মন্ত্রে দীক্ষা নিয়েছিলেন , সেই কানাইলাল বিদ্যামন্দির আজ ভগ্নদশায়। স্কুলের ছাদ ভেঙে জল পড়ছে , জানলা দরজা নষ্ট হয়ে গেছে , আগাছায় ঢেকে গেছে পুরো প্রাঙ্গণ। বহু ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষার প্রশ্নও উঠছে , কারণ দোতলার অংশ একেবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে পড়াশোনার জন্য। যদিও স্কুলটি হেরিটেজ হিসেবে ঘোষিত , তবুও সংস্কারের উদ্যোগে ঘাটতি রয়েছে।
বিপ্লবী কানাইলাল দত্ত ১৮৮৮ সালের ৩০ আগস্ট ফরাসি চন্দননগরের সরিষাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমে বোম্বাইয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি চন্দননগরে ফিরে ১৯০৪ সালে দুপ্লে কলেজে ভর্তি হন। সেখানেই অধ্যাপক বিপ্লবী চারুচন্দ্র রায়ের কাছ থেকে দীক্ষা নেন। পরবর্তীতে যুগান্তর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে মানিকতলা বোমা মামলায় গ্রেফতার হন। আলিপুর জেলে তিনি দলের নির্দেশে রাজসাক্ষী নরেন গোসাঁইকে হত্যা করেন। ১৯০৮ সালে হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি বরণ করেন তিনি।
কানাইলাল বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষক জগৎজ্যোতি বিশ্বাস জানান, ১৮৬২ সালে ‘সেন্ট মেরিজ ইনস্টিটিউটশন’ নামে যে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয় , পরবর্তীতে তা দুপ্লে কলেজ নামে পরিচিত হয়। স্বাধীনতার পরে ১৯৪৮ সালে এটি কানাইলালের নামে নামাঙ্কিত হয়। এখনো কানাইলালের চিতাভস্ম সংরক্ষিত আছে বিদ্যালয়ে। সংস্কারে অন্তত ৪ কোটি টাকার প্রয়োজন। অথচ ফরাসি আমলের ঐতিহ্যবাহী এই স্থাপত্য আজ ভেঙে পড়ছে , সংস্কারের জন্য সরকারের আর্থিক সহায়তা ছাড়া পথ নেই।
সকাল থেকেই মহিষাদলের রথ প্রাঙ্গণে ঢল নেমেছে হাজার হাজার ভক্তদের
রথযাত্রা ঘিরে তারাপীঠে উপচে পড়া ভিড়
ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন
হাসপাতালের অব্যবস্থা থেকে ক্ষুব্দ মন্ত্রী
স্ত্রীকে খুন করে পলাতক স্বামী
শতাব্দী প্রাচীন রথযাত্রায় ভোগ পরিবেশন
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত , বিকল্প জায়গায় ক্লাসের আশ্বাস প্রশাসনের
আগামী দিনে স্কুলের পাঠ্যসূচিতে রথযাত্রার ইতিহাস যুক্ত করার ইচ্ছে মন্ত্রীর
ঘটনার জেরে জেলা বিজেপির অন্দরে নতুন করে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জল্পনা শুরু হয়েছে
হাসনাবাদে তৃণমূল নেতার বাড়িতে এটিএস অভিযান
রাজনীতি প্রসঙ্গেও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ
মেডিকেল কলেজে ভর্তি করার পর রোগীকে শুধু অক্সিজেন মাস্ক পরিয়ে রাখা হয়
১৬ জুলাই থেকে এই বিশেষ ট্রেন চালু হবে
১৮ জুলাই উত্তরকন্যায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে পারেন অমিত শাহ
অভিষেক সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...