নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব মেদিনীপুর - চাকরি টিকিয়ে রাখার ভয় দেখিয়ে মহিলা সহকর্মীর সম্মানহানি! রাতের ডিউটির অন্ধকারে চলত নোংরা খেলা।সরকারি হাসপাতালে চুক্তিভিত্তিক এক ওয়ার্ড গার্লের উপর ফ্যাসিলিটি ম্যানেজারের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে।

সূত্রের খবর, পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের এক ফ্যাসিলিটি ম্যানেজার একই হাসপাতালের এক চুক্তিভিত্তিক ওয়ার্ড গার্লের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। ওই স্বাস্থ্যকর্মী জানান, রাতের ডিউটির সময় ওষুধ দেওয়ার নাম করে ফাঁকা ঘরে ডেকে তাকে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করত অভিযুক্ত।

তরুণীর অভিযোগ অনুযায়ী , পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতালে চাকরি নেওয়ার কিছুদিন পর থেকেই শুরু হয় তার জীবনে নেমে আসে দুঃস্বপ্ন। তিনি চুক্তিভিত্তিক ওয়ার্ড গার্ল হিসাবে কাজ করছিলেন। অভিযোগ, হাসপাতালের ফ্যাসিলিটি ম্যানেজার প্রায়ই নানা অজুহাতে তাকে একা ডেকে পাঠাতেন। কখনও ওষুধের হিসেব নিতে, কখনও রোগীর ফাইলের কাজের কথা বলে। রাতের ডিউটির সময় বিষয়টা আরও বাড়তে থাকে। হাসপাতালের অন্ধকার করিডর আর ফাঁকা ঘরগুলোকে ব্যবহার করে নাকি তিনি সুযোগ নিতেন।

তরুণী আরও দাবি করেন, একাধিকবার তাকে ফাঁকা ঘরে ডেকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। রাজি না হলে বারবার চাকরি খোয়ানোর হুমকি দিতেন অভিযুক্ত। “চাকরি রাখতে হলে যা বলছি তাই করতে হবে”, এই কথাগুলো নাকি নিয়মিত শুনতে হতো তাকে। অভিযোগ, ম্যানেজার কখনও প্রশংসার ভান করে, কখনও হুমকি দিয়ে তাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলতে চাইতেন। রাজি না হলে বাড়ির সামনে তরুণীর মৃতদেহ ফেলে রেখে আসা হবে এমন হুমকির স্বীকারও হন ওই তরুণী।
প্রতিদিনের এই মানসিক টর্চার সহ্য করতে করতে তিনি আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেন। কিন্তু জীবিকার জন্য চাকরি ছেড়ে দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাই প্রথমে চুপ করে সহ্য করছিলেন। পরে পরিস্থিতি অসহ্য হয়ে উঠলে সাহস করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। তরুণী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার দাবি প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণ তিনি দিতে প্রস্তুত। তার কথায়, “আমার সঙ্গে যা হয়েছে, সেটা আর কোনও মেয়ের সঙ্গে যেন না হয়, তাই আমি মুখ খুলেছি।”

হাসপাতালের সিকিউরিটি গার্ড রাজু খাঁড়া জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভীষণ নোংরা স্বভাবের ছিল। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত হাসপাতালে ঘোরাঘুরি করত, যা একেবারেই অস্বাভাবিক। শুধু মহিলা স্টাফ নয়, পুরুষ কর্মীদের উপরও সে নিয়মিত মানসিক নির্যাতন চালাত। রাজু বলেন, “আমরা সবাই খুব কম মজুরিতে কাজ করি, সেই টাকাতেই সংসার চলে। কিন্তু তার অত্যাচার দিনের পর দিন সহ্য করতে করতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। আজ আমাদের ছোট বোনের সঙ্গে যা ঘটেছে, তার পরে আমাদের একটাই দাবি, ও যেন সারাজীবন কারাগারেই থাকে, প্রয়োজনে ফাঁসির সাজাও দেওয়া হোক।”
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি আক্রমণ অর্জুন সিংয়ের
আরও বড় আন্দোলনের হুমকি বিরোধীদের
বৈধ নাগরিক হয়েও ডিটেনশন ক্যাম্পে বীরভূমের ৫ যুবক
স্থানীয়দের আশ্বাস উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর
তদন্তে নেমেছে অশোকনগর থানার পুলিশ
সীমান্ত অনুপ্রবেশে বাড়ছে উদ্বেগ
অতিরিক্ত কাজের চাপে অসুস্থ দাবি পরিবারের
বিশালাকার মিছিল নিয়ে ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন
৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রীর সভা
আহত হাতিটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে বন দফতরের কর্মীরা
সরকারকে ইমেল করা হলেও জবাব পায়নি বলে দাবি পরীক্ষার্থীর
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
শাসক দলের কৰ্মসূচিতে যোগদান না করায় মারধরের অভিযোগ
বিশেষ চেকিংয়ের পরেই কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এয়ারবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
বিবৃতি জারি ট্রাম্প প্রশাসনের
আপাত বন্ধ স্কুল-অফিস