নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - ভোটের মুখে বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের ঝড় তুলেছে একটি ভাইরাল ভিডিও। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল। এই অবস্থায় হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতে হুমায়ুন কবীরকে বলতে শোনা যায়, তিনি যেকোনো মূল্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে চান এবং সেই লক্ষ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গেও তার কথা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভিডিওতে আরও শোনা যায়, 'শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি আমাকে বলেন দিল্লি নিয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেবেন। আমার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গেও কথা হয়েছে।'
আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানকে আরও বলতে শোনা যায়, ' প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকেই আমাকে বলা হয়, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গে কথা বলতে। মোহন যাদবজির সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হচ্ছে।' হুমায়ুন ইঙ্গিত দিয়েছেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গেও কথা হয়েছে তার।
মুসলিম ভোট প্রভাবিত করার কৌশল নিয়েও তিনি মন্তব্য করেছেন। হুমায়ুন কবীর বলেন, 'বাবরি ইস্যুটা তোলার পর মানুষের আবেগ যেভাবে আমার দিকে ঝুঁকেছে তাতে আমি নিশ্চিত ৮০-৯০ আসন পাবই। মুসলিমদের বোকা বানানোটা খুবই সহজ। সেটার জন্য আমার কিছু টাকার দরকার। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩-৪ কোটি টাকা করে খরচ করতে হবে। সব মিলিয়ে হাজার কোটি টাকা দরকার।'
এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, ' টাকার বিনিময়ে মুসলমানদের ভাবাবেগ নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলাটা অন্যায়। এটা পাপ। এর পরে ওই কুলাঙ্গার, কীট হুমায়ুনকে একটা ভোটও দেওয়া উচিত নয়।'
"আমি নিজে লোগো এঁকেছিলাম, আমার উপর রাগ থাকতেই পারে, কিন্তু শিল্পকেই কেন ভাঙা হল?" সল্টলেক স্টেডিয়ামের সামনে ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর
আইএসএলে যোগ্যতা অর্জনের পর দেরিতে প্রতিক্রিয়া, রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে উঠছে ভবিষ্যৎ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন
দক্ষিণ দমদম পুরসভা কেন্দ্র করে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নতুন মোড়। ইডির দাবি, ‘কাউন্সিলার কোটা’ নামে এক অবৈধ সুপারিশ ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হত, আর এই পুরো চক্রের নেপথ্যে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু।
কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় আনা হয়েছিল তিন তরুণীকে। অভিযোগ, পরে তাঁদের যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেয় একটি চক্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে উদ্ধার করা হয় তাঁদের। ঘটনায় গ্রেফতার এক মহিলা, তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও যোগাযোগ করা হয়েছে নেপাল দূতাবাসের সঙ্গে।
বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট, কমতে পারে তাপমাত্রাও
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...