নিজস্ব প্রতিনিধি , পুরুলিয়া - তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মসূচিতে কবিগুরুর ছবি পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ফের সরগরম রাজনীতি।সেই ঘটনার জেরেই সাত সকালে পথে নেমে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি।গলায় রবীন্দ্রনাথের ছবি ঝুলিয়ে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগানে সরব হন কর্মী সমর্থকরা।

সূত্রের খবর, আজ বুধবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুরুলিয়া শহরের জেলা স্কুল মোড় থেকে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলে হাতে ও গলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি নিয়ে শামিল হন দলীয় কর্মী সমর্থকরা। মিছিল চলাকালীন পথে পথে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে। মিছিলটি জেলা স্কুল মোড় থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে শেষ হয় এসপি অফিস মোড়ে। সেখানে গিয়ে বিজেপি নেতৃত্বরা অবস্থান বিক্ষোভ করেন এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন।

পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখার্জি বলেন, “গোটা দেশ দেখেছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অসম্মান করা হয়েছে। এখন এক জেহাদি মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে তার বাহিনী প্রতিদিন বাংলার সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে। তাই আজ আমরা পথে নেমেছি বাংলার মানুষকে জানাতে যে এই সরকার শুধু বাংলার ভবিষ্যৎ নয়, সংস্কৃতির আপামর রুচিও নষ্ট করছে।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়