নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা – প্রয়াত বঙ্গ রাজনীতির একদা চাণক্য মুকুল রায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। কাঁচড়াপাড়া থেকে দিল্লির রাজনীতি, এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান। তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শেষটা একেবারেই ভালো হয়নি। ‘যুগল ভবন’-এর দোতলায় ঘরবন্দী হয়ে বাকি জীবনটা কাটিয়েছিলেন মুকুল।
কংগ্রেসের হাত ধরে ছাত্র রাজনীতিতে উত্থান হয়েছিল মুকুল রায়ের। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হয়ে ওঠেন। ২০০১ সালে জগদ্দল থেকে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন। ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ছিলেন।
২০০৯ সালে ইউপিএ-২ সরকারে নৌপরিবহন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন মুকুল রায়। ২০২১ সালে রেল মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হন। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিলেও ২০২১ সালে ফের তৃণমূলে ফেরেন। যদিও এরপর থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি তাঁকে।
শুক্রবারই শিবির বদল করতে চলেছেন ব্রাত্য বসু
দলত্যাগীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা মমতার
মনীশ গুপ্তের বিজেপিতে যোগদান ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে
কলেজ স্কোয়ারে খুঁটিপুজোর উদ্বোধন করলেন শমীক ভট্টাচার্য
কলকাতার অনুষ্ঠান শেষে তার তমলুক ও মেচেদা সফরেরও সূচি রয়েছে
মেট্রো স্টেশনে এসক্যালেটর বিকল থাকায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছা বার্তা মোদি - শুভেন্দুর
দ্রুত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পত্নীর নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে
একুশের মঞ্চে অগ্রাধিকার শহিদ পরিবারকে
বিদ্রোহীদের বেঈমান বলে কটাক্ষ মমতার
হোয়াটসঅ্যাপে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠান
পাকাপাকি ভাবে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেন অনুব্রত মণ্ডল
বুধবার ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেন মাডান মিত্র
পাশে থাকার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
২৫০০ লোক নিয়ে সভা করার অনুমতি দিল হাইকোর্ট
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...