নিজস্ব প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুর- “শিক্ষা সকলের অধিকার”, সরকারি ভাবে এই স্লোগান বহুদিন ধরে দেওয়া হলেও বাস্তবে ছবিটা অনেক জায়গাতেই উল্টো। আদিবাসী অধ্যুষিত এক প্রত্যন্ত গ্রামে চালু থাকা শিশু শিক্ষাকেন্দ্র এখন কার্যত নামমাত্রে চলছে। ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন স্কুলে এলেও ঠিকমতো পড়াশোনার পরিবেশ পাচ্ছে না। কারণ, গোটা কেন্দ্রটিতে রয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষক।
সূত্রের খবর, ভবানীপুর ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আদিবাসী একটি এলাকা ডেবরায় রয়েছে একটি শিশু শিক্ষাকেন্দ্র । যেখানে একজন মাত্র শিক্ষক, তিনিও অবসরের মুখে। অভিভাবকদের আশঙ্কা বাড়ছে। তাদের সঙ্গে একমত হয়ে আদিবাসীদের অভিযোগ, উমারানি জানা যিনি একমাত্র শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন, তিনি প্রতিদিন ক্লাস নেন না। প্রায়শই তাঁকে অফিসের কাজের জন্য বাইরে যেতে হয়। ফলে ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চারা ক্লাসরুমে বসে থাকলেও পড়াশোনা হয় না। অনেক সময় শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে ক্লাস একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকার এক যুবককে চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে । তবে স্থায়ী সমাধান খুঁজছেন অভিভাবকরা।

সমস্যা এখানেই শেষ নয়। কয়েক মাস বাদেই ওই শিক্ষক অবসরে যাবেন। তারপর কী হবে? কে পড়াবেন বাচ্চাদের? নতুন শিক্ষক কবে আসবেন তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই প্রশ্ন ঘুরছে গ্রামবাসীদের মুখে মুখে। অভিভাবকদের আশঙ্কা, শিক্ষক অবসরে গেলে শিশু শিক্ষাকেন্দ্রে কার্যত তালা ঝুলে যাবে।
গ্রামবাসীরা দাবী করেছেন , শিশু শিক্ষাকেন্দ্রটিকে যদি নিকটবর্তী অন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হতো, তাহলে সমস্যা অনেকটাই সমাধান হতো। তাতে ছাত্রছাত্রীরা অন্তত নিয়মিত শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পড়াশোনা করতে পারত। বর্তমানে আলাদা করে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র চালানোর কোনও মানে নেই বলেই মত তাঁদের।

উমারানি দেবী জানান , “আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব আমি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, একার চেষ্টায় এত বড় দায়িত্বভার পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়