নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - ১৪ই সেপ্টেম্বর সারা দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যাগে পালিত হয় 'হিন্দি দিবস'। এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে 'কালো দিন' ঘোষণা করে পথে নামলো বাংলা পক্ষ। দেশপ্রেমী অহিন্দি ভাষী স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি সামনে রেখে চলে প্রতিবাদ। এদিন যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত চলে পদযাত্রাও।
সূত্রের খবর , রবিবার অর্থাৎ ১৪ ই সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশ জুড়ে পালন করেন 'হিন্দি দিবস'। সেই দিনটিকেই 'কালোদিন' ঘোষণা করে পথে নামল বাংলা পক্ষ। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ১৯৪৯ সালের এই দিনেই হিন্দি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সেই থেকেই প্রতিবছর এই দিনটি হিন্দি দিবস হিসেবে পালিত হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের সব দফতর , শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই দিন বাধ্যতামূলকভাবে পালন করা হয়। এমনকি হিন্দি ভাষায় কাজ করতে উৎসাহিত করা হয়।
কিন্তু বাংলা পক্ষ সহ একাধিক অহিন্দি ভাষাভাষী সংগঠন এই দিনটিকে দেখছে ভাষাগত আধিপত্য বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে। বাংলা পক্ষ মনে করেন , ভারতের মতো বহুভাষিক দেশে একটিমাত্র ভাষার প্রাধান্য চাপিয়ে দেওয়া সাংবিধানিক সমতা সহ ভাষাগত বহুত্ববাদের পরিপন্থী।
এই প্রেক্ষিতে রবিবার কলকাতার যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত এক প্রতিবাদী মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। মিছিলে অংশ নেন প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মী সমর্থকেরা। মিছিলে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ , শরৎ চন্দ্র বসু , প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের পাশাপাশি ভারতের অহিন্দি ভাষা আন্দোলনের নেতারা যেমন তামিল নেতা আন্না দুরাই , সহ অন্যান্য নেতাদের ছবিও বহন করা হয়। মিছিল থেকে 'হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সকল অহিন্দি জাতির ঐক্যের' ডাক ওঠে।
এদিন বাংলা পক্ষের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি রাজ্যের শাসক দলের দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে সওয়াল করে বলেন , “একদিকে বাংলা ভাষা আন্দোলনের কথা বলা হয় আর অন্যদিকে হিন্দি , উর্দুর তোষণ — এই নীতি চলবে না। এবার রাজ্য সরকারকে প্রমাণ করতেই হবে যে তারা বাঙালির পাশে আছে। মুখের কথায় আর চলবে না। চাকরিতে ভূমিপুত্র সংরক্ষণব , স্কুলে বাংলা বাধ্যতামূলক করা , এবং WBCS - এ হিন্দি , উর্দুর অনুপ্রবেশ বন্ধ করতেই হবে।”
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় এপ্রসঙ্গে জানান , “তামিল , কন্নড় সহ বিভিন্ন জাতির জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষের এই কর্মসূচিকে সংহতি জানিয়েছে। অহিন্দি জাতিগুলোর সর্বভারতীয় সংস্থাগুলির তরফেও সংহতির বার্তা এসেছে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস হবেই। বাঙালির রক্তে স্বাধীন ভারতে বাঙালির সমানাধিকার প্রতিষ্ঠাই বাংলা পক্ষের লক্ষ্য।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়