নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে নবদ্বীপ থানার পুলিশের বড়সড় সাফল্য। শনিবার অভিযান চালিয়ে ৫৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করল পুলিশ। পাশাপশি, ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাজার বাজারমূল্য আনুমানিক ৮ লক্ষ টাকা। মাদকবিরোধী লড়াইয়ে নবদ্বীপ থানার এই অভিযানকে বড়সড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।
সূত্রের খবর, রাজ্যে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে জিরো টলারেন্স পুলিশের। সেটাই আরও একবার প্রমাণ করল নবদ্বীপ থানার পুলিশ। শনিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রেলওয়ে রিক্রিয়েশন মাঠ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সন্দেহজনকভাবে চারজনকে দেখতে পেয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরেই তাদের কাছে থাকা ৬ টি ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫৪ কেজি গাজা উদ্ধার করে পুলিশ। ধৃত চারজনের নাম কাশীনাথ পাল, গণেশ মজুমদার, গৌরী সরকার এবং দেবী রায়। গাজা ছাড়াও চারটি মোবাইল ফোন ও একটি স্কুটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ অনুমান, নবদ্বীপ হয়ে গাজা অন্য জেলায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নবদ্বীপের হ্রাস উৎসব খুবই জনপ্রিয়। সেই কারণে পুলিশ যথেষ্ট সজাগ রয়েছে। আর তারই ফলস্বরূপ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা এই অভিযান চালাই। বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি তাদের কাছে নিষিদ্ধ মাদক দ্রব্য রয়েছে। চারজনের মধ্যে ২ জন নবদ্বীপের পুরুষ ও ২ জন মহিলা জলপাইগুড়ির বাসিন্দা।'
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, 'ব্যাগের মধ্যে ট্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেই সবটাই এখন তদন্ত সাপেক্ষ।' ধৃতদের আজ ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে নদীয়া জেলার আদালতে পেশ করা হয়। গাঁজার উৎস ও পাচারচক্রের অন্যান্য সদস্যদের সন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর