নিজস্ব প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুর - ম্যাচ দেখতে এসে খেলার মাঠে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি ! ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ঘটে গেলো এক ধুন্ধুমার ঘটনা। রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে খেলার মাঝেই রেফারিকে সর্বসমক্ষে লাথি মারার অভিযোগ উঠলো তৃণমূল নেতার ভাইপোর বিরুদ্ধে। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটে ১৬ আগস্ট "খেলা হবে দিবস" উপলক্ষ্যে মেদিনীপুরে আয়োজিত এক ফুটবল ম্যাচে।২০২১ সালে বিধানসভায় জয়লাভের পর থেকে তৃণমূলের ''খেলা হবে'' স্লোগানকে সামনে রেখে প্রত্যেক বছর এই দিনে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে পালিত হয়ে আসছে এই ম্যাচ। এদিন মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খানের ভাইপো রাজা খান রেফারির বিরুদ্ধে ভুল সিদ্ধান্তের অভিযোগ তোলেন। এরপর খেলার মাঠেই রেগে গিয়ে সর্বসমক্ষে রেফারিকে লাঠি মারেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তৃণমূল নেতার ভাইপোর এমন কুৎসিত আচরণের চরম নিন্দা করেছেন নেটিজেনরা।
ঘটনায় আক্রান্ত রেফারি লক্ষণ মান্ডি জানান,'' আমি বর্তমানে খড়গপুর সাব ডিভিশন রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও পেশায় একজন স্কুলশিক্ষক।এর পাশাপাশি তপসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত। ঘটনাস্থলে উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের মতের সাথে আমার সিদ্ধান্ত না মেলায় আমাকে এভাবে আক্রমণ করা হয়।”
এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে লেখেন,'' আমি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করবো তপশিলী জাতি ও উপজাতির ওপর অত্যাচার প্রতিরোধ আইন, ১৯৮৯ ও ভারতীয় ন্যায় সংহিতার উপযুক্ত ধারা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে, নচেৎ শ্রী লক্ষণ মান্ডি কে সুবিচার পাওয়াতে ওনাকে সব রকম সহায়তা করবো।'' তার মতে, তৃণমূলের সংস্কৃতি হিসেবে মাঠের রেফারিকে আক্রমণ করার প্রবণতা নতুন নয়, সেটা ভোটের ময়দানে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা হোক বা স্থানীয় ফুটবল প্রতিযোগিতার রেফারি।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়