নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ দিনাজপুর - বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু। হাতে আর মাত্র কয়েকটা মাস। সেই আবহেই ‘যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা’, এই বার্তাকে সামনে রেখে রাজ্যের পথে নেমে পড়েছে অভিষেক। উত্তর থেকে দক্ষিণ এক জেলা থেকে আরেক জেলায় ছুটে বেড়িয়ে জনসংযোগ ও রাজনৈতিক বার্তাকে আরও ধারালো করছেন তিনি।
রণসংকল্প সভার কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবেই বুধবার উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে পৌঁছান ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে একদিকে মহারাষ্ট্রের জেল থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে তাদের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন, অন্যদিকে নিজেই হয়ে ওঠেন প্রচারের মুখ। নির্দিষ্ট প্রচারগাড়ি নয় নিজের গাড়ির ছাদে উঠে কখনও রাস্তার দু ধারে দাঁড়ানো মানুষদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে দেখা যায় তাকে, কখনও আবার জনতার দিকে ছুঁড়ে দেন গোলাপের পাপড়ি। এই অভিনব জনসংযোগে কার্যত উৎসবের মেজাজে ভরে ওঠে ইটাহারের রাস্তা।
রোড শো শেষ করে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একযোগে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিনরাজ্যে বাংলায় কথা বলার ‘অপরাধে’ যেভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা করা হচ্ছে, সেই বিষয়েও সরব হন তিনি। অভিষেক বলেন, 'বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাকে ভাতে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলা থেকে অসুরদের তাড়াতে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে।'
ইটাহারের জনতার উদ্দেশ্যে অভিষেক বার্তা আরও চড়া সুরে বলেন, 'এটা শুধু ট্রেলার। আগামিদিনে ওদের সিনেমা দেখাতে হবে।' সেইসঙ্গে লক্ষ্যও স্থির করে দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তার ঘোষণা, উত্তর দিনাজপুরের ৯টি এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের ৬টি মোট ১৫টি আসনেই জয় নিশ্চিত করতে হবে। এমনকি আগামী নির্বাচনে ইটাহার থেকেই সবথেকে বড় লিড আসবে বলেও আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করেন তিনি।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়