নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - গঙ্গার পাড়ে মৎস্যশিল্পকে ঘিরে গড়ে উঠছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ভাঙাবেড়া গ্রামের শিক্ষক প্রহল্লাদ পাত্র ও বিধবা অপর্ণা পাত্র দেখিয়ে দিয়েছেন। পরিশ্রম আর উদ্যোগ থাকলে মাছ চাষই হতে পারে গ্রামের কর্মসংস্থানের বড় হাতিয়ার। নিজেদের প্রচেষ্টায় তাঁরা শুধু সংসারই সামলাননি, আশপাশের বহু মানুষের জন্যও খুলে দিয়েছেন নতুন রোজগারের পথ।

সূত্রের খবর, প্রহল্লাদ দিনে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়ান, আর ইলিশ মরশুমে নৌকা নিয়ে মাঝগঙ্গায় নামেন। দুটি নৌকা রয়েছে তাঁর। মরশুমে ১০ থেকে ১২ জনকে কাজে লাগান তিনি। সরকারি দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে নাম নথিভুক্ত করে মৎস্যজীবী লাইসেন্সও নিয়েছেন। জাল মেরামত থেকে বাজার সংযোগ, সব কাজেই আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন প্রহল্লাদ।

অন্যদিকে, স্বামী হারানোর পর সংসার চালানো ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু অপর্ণা হাল ছাড়েননি। নিজে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করার পাশাপাশি ছাগল পালনও চালু করেন। প্রতিদিন নিজ হাতে মাছের খাবার দেন, পুকুরের যত্ন নেন, এমনকি জাল ফেলে মাছ ধরেন। ছেলেদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করেছেন এই আয় থেকেই। গ্রামের মহিলাদের কাছে অপর্ণা আজ আত্মনির্ভরতার প্রতীক।

মৎসজীবি অপর্ণা পাত্র জানান , “চার ছেলে মেয়ে নিয়ে আমার সংসার। তাদের সচ্ছলভাবে মানুষ করার জন্য ছাদ হিসেবে আমি আছি তাদের মাথার ঢাল হয়ে। তাই সরকারের কাছে একটাই আবেদন যাতে মৎসজীবি কার্ড টা আমাদের দেন। তাহলে অনেকটা চাপমুক্ত হতে পারবো। “
নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ আধিকারিক সুমন কুমার সাহু জানান, “আমার পাড়া আমার সমাধান ও দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে এসে ওনারা মৎস্যজীবী নিবন্ধন করেছেন। সরকারের কাছে মৎসজীবি কার্ড এর জন্য ওনারা যেই ফর্ম জমা দিয়েছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের হাতে যাতে সেই কার্ড তুলে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা করবো। ওনাদের এই সাফল্য আগামীতে অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।” প্রহল্লাদ ও অপর্ণার এই উদ্যোগ প্রমাণ করছে, মৎস্যশিল্প শুধু প্রাচীন পেশা নয়, গ্রামীণ অর্থনীতির নয়া শক্তি।

তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়