নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলায় অনুষ্ঠিত বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প জনসভা’ থেকে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক কড়া মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, 'হিন্দুরা একত্রিত না হলে পরিবর্তন সম্ভব নয়।'
আলাইপুরের একটি স্কুল মাঠে আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তার সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, কল্যাণী বিধানসভার বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই মিঠুন চক্রবর্তী হাঁসখালি গণধর্ষণের রায় নিয়ে শাসক দলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, ' রায় বেরিয়েছে দোষীরা শাস্তি পেয়েছে এর থেকেই প্রমাণ হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছিলেন সেসব মিথ্যা।'
তৃণমূলকে কটাক্ষ করে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ' এই বাংলায় এখন আর কিছু হওয়ার নেই। ভয় ধরে গেছে যে বাংলাদেশে আছি না বাংলায় আছি। এখন যদি হিন্দুর একত্রিত না হয় তাহলে আর কিছু হবে না। যে পার্টিতে যত হিন্দু আছে সকলে একত্রিত হন। সকলে এক সঙ্গে লড়ুন এই সরকারের পতন হতেই হবে।'
মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ' একটা সম্প্রদায়কে মুখ্যমন্ত্রী কখনই কষ্ট দিতে চান না। আর সেটা খুবই স্পষ্ট। বিজেপি মুসলমান বিরোধী নয়। যারা ভারতের মুসলমান ভারতকে ভালোবাসে তাদের বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু যারা ভারত বিরোধী মুখ্যমন্ত্রী তাদের ভালবাসেন। বাকি সবাই জ্বলে যাক, মরে যাক তাতে ওনার কিছু আসে যায় না।'
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয় ছিটমহলবাসীরা
নির্বাচন কমিশনসহ বিজেপিকে ধিক্কার শাসক দলের
সভামঞ্চ থেকে কড়া বার্তা বিরোধী দলনেতার
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই ক্ষুদ্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত গৌতম সাহা
রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা বিজেপির
জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃতদের
তৃণমূলের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করার অভিযোগ শাহের
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর