নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - আর.জি.কর কাণ্ডের ১ বছর পর এখনও বিচার অধরা। সঠিক বিচারের আশায় একাধিকবার রাস্তায় নেমে সরব হয়েছে অভয়ার বাবা - মা। তবে এবার সরাসরি বিচার ছিনিয়ে নিয়ে আসার হুঁশিয়ারি দিলেন তিলোত্তমার বাবা - মা। বারাসাতের এক অনুষ্ঠানে এসে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিলোত্তমার মা। দীর্ঘদিন ধরে বিচারপ্রক্রিয়া চললেও এখনও ন্যায় না পাওয়ার ক্ষোভ ও হতাশা তাদের কণ্ঠে স্পষ্ট।
২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আর. জি.কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ খুনের ঘটনা রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দেয় গোটা রাজ্যে। সঠিক বিচারের দাবি তুলে পথে নেমে প্রতিবাদে সরব হন অভয়ার বাবা - মা। এক বছর পার এখনও বিচারের আশায় মুখাপেক্ষী তারা। সোমবার বারাসাতে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিলোত্তমার বাবা-মা। অভয়ার বাবার অভিযোগ , ' আমাদের দেশে বিচারব্যবস্থার ওপর ভরসা করা যায় না। আমার মেয়ের ঘটনায় আইনজীবীরা দোষীদের শাস্তি দিতে না বরং তাদের বাঁচাতে চাইছে। যদি তদন্তকারী নিজেই তদন্ত না করে থাকেন, তাহলে তিনি কী ভূমিকা পালন করেছেন?'
অভয়ার মা প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ' আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মেয়েদের অপমান করেছে। মেয়েরা শুধু হাতা খুন্তিতেই মানায় না। এখন মেয়েরা সবই করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন উনি চাইলে সব কিছু হেলিয়ে দিতে পারে কিন্তু উনি জানেন না যে সব চাইলেই হেলিয়ে দেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষ একত্রিত হলে ওনার দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসবেই।'
পরিবারের একটাই দাবি, আর. জি.কর ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে এবং প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে আনতে হবে। সঞ্জয়ের পাশাপাশি আরও যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। তিলোত্তমার বাবা-মা এখনও দৃঢ়ভাবে মনে করেন, সন্দীপ ঘোষ এই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর