নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - ফের বেআইনি ডিজে বক্স বাজানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য। গত ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে এক শোভাযাত্রায় বাজানো হয় তারস্বরে ডিজে বক্স, যা এলাকায় তাণ্ডব পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, শোভাযাত্রার পিছনে চলছিল চন্দননগর পুরনিগমের মেয়র রাম চক্রবর্তীর গাড়ি, যা ডিজে বক্সের শব্দে ঘেরা ছিল। সাধারণ মানুষ ও পরিবেশকর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন, স্বয়ং মেয়রের সামনেই আইন ভঙ্গ হলে, আইন রক্ষা করবে কে?

সূত্রের খবর, স্থানীয় “বাজি ও ডিজে বক্স বিরোধী মঞ্চ” এই ঘটনার পরদিন, অর্থাৎ ৫ অক্টোবর, চন্দননগর থানার ইনস্পেক্টর ইনচার্জকে হোয়াটসঅ্যাপে বিস্তারিত অভিযোগ জানায়। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রশাসনের এই নীরবতা ঘটনার জবাবদিহিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে। ঘটনাটি ঘটেছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ডে, যেখানে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী বেসরকারি ডিজে বা মাইক বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। স্থানীয়রা বলছেন, আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই, ফলে নিয়ম ভঙ্গের ঘটনা বারবার ঘটে।

মঞ্চের সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, “মেয়রের সামনেই বেআইনি ডিজে বাজানো হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ এবং প্রকৃতির সুরক্ষা প্রশ্নের মুখে। আইন থাকলেও প্রয়োগ না হলে এর ভবিষ্যত মাপা কঠিন।”
সহসভাপতি শুভময় ঘোষাল যোগ করেন, “আমরা বারবার সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি, কিন্তু কোনো ফলাফল পাইনি। প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আইন ভেঙে ডিজে বাজালে প্রশাসন নীরব থাকে।”
সহসম্পাদক শুভ্রকান্তি সামন্ত বলেন, “চন্দননগর স্ট্র্যান্ড নদী তীরবর্তী সংবেদনশীল এলাকা। এখানে বহু প্রাচীন গাছ আছে, যেখানে পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর বাস। নদীর জলেও বিভিন্ন জলজ প্রাণী রয়েছে। এই শব্দতাণ্ডব সবকিছুকে বিপন্ন করছে।”

পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক গৌতম সরকার বলেন, “শুধু দুর্গাপুজো নয়, জগদ্ধাত্রী পুজোর সময়ও এখানে আইন ভঙ্গের ঘটনা ঘটে। আমরা চাই, অবিলম্বে এই ধরনের শব্দতাণ্ডব বন্ধ হোক। মেয়রকেও আমরা লিখিতভাবে আবেদন জানাব।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়