নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - প্রায় ৯০ শতাংশ অন্ধ। দেখতে পায়না বললেই চলে। তবুও অদম্য জেদ ও ইচ্ছেশক্তির জেরে জাতীয় মঞ্চে জ্বলজ্বল করছে বাংলার নন্দিতা সর্দার। দেরাদুনে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্তরের ফুটবল প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলা। যেই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন নন্দিতা। তার সাফল্য উচ্ছ্বসিত গোটা নদীয়া জেলা।

বাবা পবিত্র সর্দার পেশায় দিনমজুর। তবে নিজেই মেয়েকে ফুটবল প্রশিক্ষণ দেন। ঘিরে দারিদ্রতা থাকলেও সেসবের আঁচ পাননি নন্দিতা। নিজেরা না খেয়েও মেয়ের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন একসময়। প্রত্যেকটি ম্যাচেই মেয়ের সঙ্গে মাঠে যান বাবা। মা গৃহবধূ। খেলাধূলার পাশাপাশি মেয়ের পড়াশুনার দিকটাও খেয়াল রাখেন। খুব অল্প দিনেই ফুটবল প্রশিক্ষণ নিয়ে বিষয়টা রপ্ত করে ফেলেছেন নন্দিতা। আগামী দিনে দেশের জার্সিতে খেলে নিজেকে আরও বড় মঞ্চে প্রমাণ করতে মরিয়া তিনি। মেয়ের সফলতার দৌড়ে সর্বদা সঙ্গ দেবেন বাবা-মা।

বাবা পবিত্র সর্দার জানিয়েছেন , "নবদ্বীপের এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে নন্দিতা।মেয়ের ফুটবল খেলার প্রতি একটা ভালোবাসা আছে বুঝতে পেরে ওকে প্রশিক্ষণ দিতে থাকি। আশেপাশের অনেক জায়গা থেকেই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তবে আমরা আমাদের মেয়েকে সবসময় সমর্থন করব। যেভাবে ও এগোতে চায় সেইভাবেই আমরা ওর পাশে আছি। ভীষণই ভাল লাগছে যে বাংলার হয়ে ও একটা কাপ নিয়ে এসেছে।"

নন্দিতার বাবা আরও জানিয়েছেন , "মেয়ে ইতিমধ্যেই ন্যাশনালের নির্বাচকদের নজরে এসেছে।।ওকে ডাক পাঠানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে ট্রায়াল দিয়ে এসেছে। এবার যদি নির্বাচিত হয় তার থেকে খুশির এর কিছুই থাকতে পারে না। আমি চাই নন্দিতা আরও বড় মঞ্চে সাফল্য পাক। একদিন ও দেশের হয়ে খেলুক। পরিশ্রম করুক। আমরা সবসময় ওর সঙ্গে থাকব।"
ভারতকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী মেলেনি আমিরের
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় নেটে ব্যাটিং করছেন ধোনি
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
সঞ্জুর মানসিকতার প্রশংসা করেছেন গম্ভীর
ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে যাওয়ার টিকিট কেটেছে পাকিস্তান
ইডেনে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন সঞ্জু
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
ওয়েস্ট ইন্ডিজ - ১৯৫/৪(২০)
ভারত - ১৯৯/৫(১৯.২)
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর