নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - কিছু ৯৭ শতরানের চেয়েও মূল্যবান। বাইরে বসে থাকা সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটে ভর করেই আজ বিশ্বকাপের সেমিতে চলে গেল ভারত। ইডেনে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়ে সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিয়ে নির্বাচকদের সঠিক প্রমাণ করলেন কেরালার সঞ্জু। ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ সেরার পুরস্কার নিলেন তিনি। ৪ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে জয় ছিনিয়ে ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে সূর্যকুমাররা।
ইডেনে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ব্যাটে নেমে শুরুটা ভাল হলেও পিছিয়ে হঠাৎ পিছিয়ে পড়েন সাই হোপ। ওপেন করতে নামা রোস্টন চেজ ভাল ব্যাটিং করেন। ২৫ বলে করেন ৪০ রান। মারেন ৫ টি চার ও ১ টি ছক্কা। সাই হোপ ৩৩ বলে ৩২ করেন।বরুণের ভেল্কির শিকার হন। সেই সময় অনেকটা পিছিয়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হেটমায়ার ১২ বলে ২৭ করেন। বড় রানের লক্ষ্যে থাকলেও সফল হতে পারেননি। রাদারফোর্ড করেন ৯ বলে ১৪।
তবে শেষে পাওয়েল ও হোল্ডারের দাপটে যথেষ্ট লড়াকু জায়গায় শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাওয়েল করেন ১৯ বলে ৩৪। মারেন ৩ টি ছয় ২ টি চার। হোল্ডার করেন ২১ বলে ৩৭। মারেন ৩ টি ছয় ২ টি চার।আর্শদ্বীপের ৩ নম্বর ওভার ছাড়া বোলিং ছিল দেখার মত। ১৯তম ওভারে অসাধারণ বোলিং করেন তিনি। এছাড়া নিজের শেষ ওভারে মাত্র ৬ রান দেন হার্দিক। নিয়েছেন ১ টি উইকেট। ভারতের হয়ে সর্বাধিক ২ টি উইকেট নিয়েছেন বুমরা। বাকি ১ টি করে পেয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া ও বরুণ চক্রবর্তী। ইডেনের পিচ পাটা হওয়ায় সেইভাবে কার্যকর হতে পারেননি বরুণ। ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়েছেন বুমরা। তবে তার বেশকিছু ভাল বলেও ব্যাট চালিয়ে রান পেয়েছে ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। সেইদিকে ইয়র্কারের জবাব ছিল না বিপক্ষের কাছে। এছাড়া অক্ষর প্যাটেল দিয়েছেন ৩ ওভারে ৩৫ রান।
জবাবে ব্যাটে নেমে দুটি চার মেরেই সাজঘরে ফেরেন অভিষেক শর্মা। তবে অপরপ্রান্তে থাকা সঞ্জু ছিলেন তার নিজস্ব খেয়ালে। এরপর হেটমায়ারের হাতে ধরা দেন ইশান কিষান। সূর্যকুমার যাদব স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় একটি চার ও ছয় মেরে বড় শট মারতে গিয়ে রাদারফোর্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন। দুরন্ত ক্যাচ নেন রাদারফোর্ড। একদিকে উইকেট হারালেও সঞ্জুর মাথায় ছিল ম্যাচ ফিনিশের চিন্তা। তার খেলাতেই স্পষ্ট ছিল শেষঅবধি টিকে থাকতে হবে তাকে। কারণ , ব্যাটে যথেষ্ট ভাল লাগছিল তার।
এরপর ক্রিজে আসেন তিলক ভার্মা। যিনি নিজের কাজ করে গেছেন। সুন্দর কিছু চার মেরে ভারতের দিকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ৪ টে ছক্কা সহ ১ টি চার মারেন। তবে মিড অফের ওপর দিয়ে আরও একটি চার মারতে গিয়ে অতিরিক্ত বলের ওপর চলে আসে। শরীর ছুঁড়ে ক্যাচ ধরেন হেটমায়ার। এইসময় সঞ্জু কিছুটা স্লো হয় স্কোরবোর্ড চালাতে থাকেন। কারণ ম্যাচ অনেকটাই ছিল ভারতের দিকে। এরপর হার্দিক এসে ২ টি চার মেরে ম্যাচ আরও জয়ের দিকে নিয়ে যান। সঙ্গে খেলতে থাকেন সিঙ্গেলস।
এরপর ম্যাচে আসে আরও একটি রোমাঞ্চকর মোড়। জোরে শট মারতে গিয়ে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এই হোল্ডারই একটি জীবনদান দিয়েছিলেন হার্দিককে। পিচে এসেই একটি চার মারেন দুবে। পয়েন্ট অঞ্চল দিয়ে দ্বিতীয় চারটি মারেন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে। শেষ ওভারে বাকি ছিল ৭ জন। প্রথম বলেই টাইমিং করে ৬ মারেন সঞ্জু। সঙ্গে সঙ্গে ভারতের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। এরপরের বলটি মিড অনের ওপর দিয়ে চার মেরে দলকে জিতিয়ে দেন। বুঝিয়ে দিলেন তিনি ঠিক কোন মাপের খেলোয়াড়। নির্বাচকদের সঠিক প্রমাণ করে নিজের মান আরও বাড়িয়ে তুললেন সঞ্জু স্যামসন।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়