নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে শুরু হতে চলেছে আটকে থাকা কলকাতা মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। চিংড়িঘাটা এলাকায় ৩৬৬ মিটার লাইনের সংযোগ সম্পূর্ণ করতে আগামী ১৫ মে থেকে ট্রাফিক ব্লক করে কাজ শুরু করার অনুমতি মিলেছে। ফলে বহুদিন ধরে আটকে থাকা অরেঞ্জ লাইনের কাজ আবার গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিলোত্তমার বুকে নিত্য যাতায়াতের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে মেট্রো। ইতিমধ্যেই শহরে গ্রিন ও ব্লু লাইনে পরিষেবা চালু রয়েছে। তবে অরেঞ্জ লাইনে আংশিক কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরোপুরি ভাবে পরিষেবা চালু হচ্ছে না। চিংড়িঘাটায় ৩৬৬ মিটারের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় বেশ সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো নিত্যযাত্রীদের। এতদিন ট্রাফিক ব্লকের অনুমতি না মেলায় প্রকল্পের কাজ আটকে ছিল। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজে কেন বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
এরপরই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা বাড়ে। অবশেষে বুধবার বিকেলে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পায় প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটা এলাকায় ট্রাফিক ব্লক করে কাজ শুরু করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী কয়েক দিন আরও ট্রাফিক ব্লকের অনুমতিও নেওয়া হবে।
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
প্রতীক জৈনের বউ ও ভাইকে তলব করা হয়েছে
ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ভার্চুয়াল বৈঠক অভিষেকের
১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়