নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - রাতের অন্ধকারে হোটেল জুড়ে তাণ্ডব। অচেনা কয়েকজনের দাপাদাপিতে এক মুহূর্তে ওলটপালট হয়ে গেল গোটা হোটেল। ভাঙচুর, তাণ্ডব থেকে শুরু করে ক্যাশবাক্স থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা উধাও। ব্যবসায়ীর অভিযোগের তির স্থানীয় এক পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধানের ঘনিষ্ঠরা এই হামলার নেপথ্যে। ঘটনার রেশ ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে নতুন হোটেল রেস্তোরাঁ চালু করেছিলেন ব্যবসায়ী সৌমেন। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার হঠাৎই দত্তপুকুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান মান্তু সাহা ও তাঁর অনুগামীরা সেখানে চড়াও হন।বেশ কিছুদিন ধরেই স্থানীয় ওই প্রভাবশালী নেতার অনুগামীরা চাঁদা চাইছিলেন বলে দাবি করেন হোটেল মালিক সৌমেন। চাঁদা না দেওয়াতেই গভীর রাতে দলবল নিয়ে হোটেলে ঢুকে তাণ্ডব চালানো হয়। রিসেপশনের কাচ ভাঙে ও ক্যাশবাক্স থেকে টাকা লুট করে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। ঘটনার পর সৌমেন সরাসরি জেলার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

পুলিশে লিখিত অভিযোগ করতে গেলে সৌমেন জানান, প্রথমে দত্তপুকুর থানার কর্তারা অভিযোগ নিতে চাননি। বরং মান্তু সাহার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলেন। এ সময় মান্তু সাহাও থানায় উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। অবশেষে সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্তে নেমেছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
যাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই তৃণমূল উপপ্রধান মান্তু সাহা পালটা দাবি করেছেন, “সবই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমার নাম টেনে আমাকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে।” অন্যদিকে মান্তু সাহার ঘনিষ্ঠদের পালটা অভিযোগ , হোটেলের আড়ালে মধুচক্রের মতো বেআইনি কাজকর্ম চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। সেই কারণেই এলাকার মানুষ বিরক্ত হয়েই প্রতিবাদে নামেন। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁদের ব্যবসার সমস্ত অনুমতি যথাযথ।

হোটেল জমির মালিক রূপক সাহা জানান, অভিযোগের বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না। তাঁর কথায়, “এখানে আমার নিয়মিত যাতায়াত নেই, যতদূর জানতাম রুমগুলিতে শুধু ধোয়া মোছার কাজ চলছিল।” তিনি স্পষ্ট বলেন, বেআইনি কাজের অভিযোগ উঠেছে যেহেতু, তাই এখন আর তিনি কাউকে এই জায়গা ভাড়া দিতে রাজি নন।

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়