নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। অভিযোগ, চাহিদা মতো টাকা না দেওয়ায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতীরা এক ব্যক্তির চাষের জমিতে ভাঙচুর চালায়। জমির সীমানায় লাগানো গাছ ও একাধিক পিলার রাতের অন্ধকারে ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্রের খবর, বিগত কয়েক মাস আগে ওই ব্যক্তি প্রায় পাঁচ শতক চাষযোগ্য জমি কিনেছিলেন। জমিটি কিনে তিনি নিজে হাতে গাছ লাগিয়ে চারদিক ঘিরে দেন। কিন্তু সোমবার সকালে তিনি দেখেন, রাতের অন্ধকারে কেউ বা কারা তাঁর জমির চারপাশের সমস্ত পিলার ভেঙে দিয়েছে এবং লাগানো গাছগুলিও নষ্ট করে দিয়েছে।

এদিকে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, এই ধরনের নোংরা কাজে ক্লাবের কেউ জড়িত নয়। কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে এমন কাজ করে থাকলে প্রশাসন যেন কঠোর পদক্ষেপ নেয়, এমনটাই তাঁদের বক্তব্য।

ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় অশান্তি চলছে। প্রশাসনের কাছে তাঁরা দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জমির মালিক সুবল বিশ্বাসের অভিযোগ, জমি কেনার সময় স্থানীয় একটি ক্লাবের কিছু সদস্য তাঁর কাছে টাকা দাবি করেছিল। কিন্তু তিনি তাঁদের সেই দাবি পূরণ করতে রাজি না হওয়ায়, প্রতিশোধমূলকভাবেই এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তাঁর অনুমান।

অন্যদিকে, ক্লাবের সম্পাদক তরুণ মজুমদার জানান, “ এই ধরনের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ক্লাবের সদস্যরা কোনদিনই এমন কাজ সমর্থন করিনা। আমার মনে হয় কেউ ইচ্ছে করে আমাদের ক্লাবকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে। জমির মালিককে ভুল পথে চালিত করা হচ্ছে। কিছুদিন আগেও আমাদের অজান্তে ক্লাবঘরে আগুন লাগানো হয়। তাই যেটা অভিযোগ উঠছে, সেটা সত্য নয়।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়