নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - বউ বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্ণায় বসলেন স্বামী। দীর্ঘ ৮,৯ মাস আলাদা থাকার পর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে ফেরত চেয়ে শ্বশুরবাড়ির সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অভিনব ধর্ণায় বসলেন বেচারাম। তার এই ধর্ণা দেখে ভিড় করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রের খবর, বেশ কয়েক বছর আগে বসিরহাটের বেচারাম মন্ডলের সঙ্গে বারাসাতের টিনামনি মন্ডলের বিয়ে হয়। তবে বাপের বাড়ি যাওয়া নিয়ে তাদের সংসারে অশান্তি লেগেই থাকতো। অবশেষে বেচারাম বাবুর স্ত্রী ছেলে ও মেয়ে সহ বাপের বাড়ি চলে যায়। পরিবারের লোকেদের ফেরত পেতে বুধবার শ্বশুরবাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে ধর্ণায় বসলেন জামাই। বেচারাম এলাকার পৌর প্রতিনিধির কাছে অভিযোগ জানালেও কোনো সুরাহা হয়নি। শ্বশুরবাড়ির লোকের সাথে কথা বলতে গেলে জুটেছে হুমকি। এরপরই বাধ্য হয়ে রাস্তায় হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আমার বউ ফেরত চাই বলে ধর্ণায় বসে বেচারাম।

বেচারাম মন্ডল জানিয়েছেন, "বিয়ের পর স্ত্রী প্রত্যেক মাসে প্রায় ১৫ দিন বাপের বাড়ি থাকত। আনতে গেলে অকথ্য ভাষায় কথা বলতো, হুমকি দিত। এলাকার পৌর প্রতিনিধির সাথে কথা বলেও কোনো কাজ হয়নি। মাঝে স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় ৫৩ হাজার টাকাও দিয়েছি। তারপরও আমি শ্বশুরবাড়ি এলে আমায় মারধর করা হতো। আমার সন্তানদের সাথেও আমাকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। তাই আমি বাধ্য হয়ে আজ ধর্ণায় বসেছি।"

টিনামনি মন্ডল জানিয়েছেন, "২০০৯ সালে আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বাপের বাড়ি আসা নিয়ে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। দিনে দিনে অশান্তি আরও বাড়তে থাকে। আমার গায়ে অনেকবার হাতও তুলেছে, মদ খেয়ে বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছে। আমি আর একসাথে থাকতে চাই না। আমরা থানায় গিয়ে ইতিমধ্যে লিখিত অভিযোগ করে এসেছি।"

টিনামনি মন্ডলের ভাই পলাশ সাহা জানিয়েছেন, "দিদির বিয়ের ১,২ বছর পর থেকেই অশান্তি শুরু হয়েছে। অনেকবার বাড়ি থেকে পালিয়েও এসেছে। থানায় জেনারেল ডায়েরি করেছি আমরা। মঙ্গলবার রাতে দুজনের মধ্যে ঝামেলা হয়। জামাইবাবু ফোন করে বলে দিদিকে বোঝানোর জন্য। তারপর বুধবার সকালে দিদি চলে আসে। আমরা এখন মেয়েকে বাড়ি পাঠাতে চাই না।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়