নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - বিধানসভা নির্বাচনে বাকি মাত্র হাতে গোনা আর কয়েকদিন। আর এই নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখেই মাঠে নেমে পড়েছে শাসক শিবির। নির্বাচনের আগে একের পর এক রণ সংকল্প সভা থেকে বিজেপিকে তোপ দেগেছে অভিষেক। শুক্রবার অভিষেকের জনসভা কার্যত পরিণত হল তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে।
সভায় বক্তব্যের শুরু থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএম ও বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন। বাম আমলের কুখ্যাত নেতাদের নাম ধরে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ' যারা আমাদেরকে পরিবর্তন চাই বলে আমাদের সরকারকে ব্যঙ্গ করছে, ৩৪ বছর মানুষকে অত্যাচার করেছে, আজ তারা বিজেপির নেতা। বোতল নতুন, মদ পুরনো। জার্সি পাল্টেছে। আগে সিপিএমের হার্মাদ ছিল, আজ বিজেপির জল্লাদ।' অভিষেক আরও বলেন, ' মেদিনীপুরে যদি কোনও বুথে, কোনও বিধানসভায় বিজেপির কোনও নেতা লিড পায়, তা হলে এই সিপিএমের হার্মাদগুলিকে অক্সিজেন দেওয়া হবে। এটা মাথায় রাখতে হবে।'
অভিষেকের আরও অভিযোগ, ' বিজেপির মডেল পশ্চিম মেদিনীপুরে কী? নীচে সিপিএমের হার্মাদ আর উপরে বিজেপির গদ্দার, যারা এক সময় সিপিএম করে বাংলার হাজার হাজার মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করে। এই মেদিনীপুরের মাটিতে গত ২৫ বছরে কংগ্রেস, পরে তৃণমূলের কর্মীদের অত্যাচার করেছে। পুকুরে বিষ, ঘরবন্ধ, ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া। আমরা সে সব দেখেছি।'
এরপরই তিনি বিধানসভা ভোটের অঙ্ক স্পষ্ট করে দেন অভিষেক। তিনি বলেন, ' যে মা-মাটি-মানুষের সরকার বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে এই জেলার মানুষ। গত বিধানসভা ভোটে ১৫টির মধ্যে ১৩টি আসনে জিতিয়ে জয়যুক্ত করেছিলেন। খড়্গপুর সদর আর ঘাটালে অল্প কিছুর ব্যবধানে আমাদের প্রার্থী পরাজিত হন। এ বার অঙ্গীকার নিতে হবে, ১২-৩ নয়। ১৫-০ তৃণমূলের পক্ষে করতে হবে। যে কটা হার্মাদ রয়েছে, সব কটাকে বিদায় দিতে হবে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়