নিজস্ব প্রতিনিধি , ভোপাল - প্রাণপণ চেষ্টা করেও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি বিরাট কোহলি। নিউজিল্যান্ড সিরিজেও দুরন্ত ছন্দে ছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে রান না পেলেও তৃতীয়টায় আরও একটি শতরান হাঁকিয়েছেন। তবে বিরাটের শতরানও ভারতকে লজ্জার নজিরের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি। গৌতম গম্ভীরের আমলে ফের লজ্জা ভারতীয় শিবিরে।
২০২৪ সালে টেস্ট সিরিজে চুনকাম হওয়ার পর এবার এক দিনের সিরিজেও ভারতের মাটিতে তাদের হারিয়ে দিল নিউ জিল্যান্ড। ৪১ রানে জিতে নিল ড্যারেল মিচেলদের দল। শেষ বার ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান এসে ভারতকে পর পর টেস্ট ও এক দিনের সিরিজে হারিয়েছিল। নিউ জিল্যান্ডও সেই কাজ করে দেখাল। পরপর না হলেও এই যুব দলের কাছে হার স্বীকার করতে হল ভারতকে।
বিরাট কোহলি ফের বুঝিয়ে দিলেন ২০২৭ বিশ্বকাপে তাকে কেন রাখা উচিত। গৌতম গম্ভীরের কাছে সব সিরিজ , সব ম্যাচই ভীষণ গুরুত্বপুর্ণ। তবে এইভাবে একের পর এক হার নিয়ে গদি আশঙ্কায় গুরু গম্ভীর। উল্লেখ্য , ১০৮ বলে ১২৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেও দলকে জয়ের সীমানায় পৌঁছে দিতে পারেনি বিরাট। বাকি ব্যাটারদের ব্যার্থতার জেরেই আরও একবার নিউজিল্যান্ডের কাছে মুখ কালো হল ভারতের।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়