নিজস্ব প্রতিনিধি , পুরুলিয়া - দ্বাদশীর সকালেই উৎসবের উচ্ছ্বাসে মেতে থাকা শহরে নেমে এল রক্ত হিম করা এক ঘটনা। পুজোর আলো, আনন্দ, ঢাকের বাদ্য আর প্রতিমা বিসর্জনের আবহে যখন মানুষের মন এখনো ভাসছে আনন্দে, ঠিক তখনই সকালবেলায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চত্বর থেকে উদ্ধার হয় এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ। মুহূর্তের মধ্যেই আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের এক কোণে পাঁচিল ঘেরা জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায় মহিলার দেহ। প্রথমে কিছু পথচারীর চোখে পড়ে ঘটনাটি। তারা চিৎকার করে প্রতিবেশীদের খবর দিলে দ্রুত ভিড় জমে যায় ঘটনাস্থলে। খবর পেয়ে পুলিশও সেখানে পৌঁছে যায়। দেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মহিলাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তবে অন্য কোথাও খুন করে দেহ এখানে এনে ফেলে দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই এলাকা জুড়ে নেমে এসেছে ভয় আর উত্তেজনা। স্কুলটি পুজোর ছুটিতে বন্ধ থাকায় সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা সুরক্ষিত ছিল, সেই প্রশ্নও এখন উঠছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলে কোনও প্রহরী ছিলেন না। তাই অপরাধীরা সুযোগ নিয়ে রাতের অন্ধকারে ওই এলাকায় ঢুকে পড়েছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মৃতার পরিচয় জানতে ইতিমধ্যেই আশেপাশের থানাগুলিতে খবর পাঠানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় নিখোঁজ মহিলাদের তালিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছেন, যাতে ঘটনাটির পেছনের সত্য উদঘাটন করা যায়।পুজোর উৎসব শেষে এমন ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী হয়ে হতবাক শহরবাসী। একদিকে উৎসবের আনন্দ, অন্যদিকে এই নৃশংস হত্যার খবর। সব মিলিয়ে আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে চারিদিকে। স্থানীয়দের দাবি, স্কুল চত্বর এবং আশেপাশের এলাকায় রাতের বেলায় পুলিশি টহল বাড়ানো হোক, যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, “দেহ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আপাতত খুন ও ধর্ষণের সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।”বর্তমানে ঘটনাস্থল ঘিরে রয়েছে পুলিশ, চলছে তল্লাশি ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ। শহরের সাধারণ মানুষ এখন একটাই প্রশ্নে ব্যস্ত। কে এই মহিলা, আর কে বা এমন নৃশংস কাজ করল পুজোর আনন্দের মাঝেই?
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর