নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - মঙ্গলবার একদিকে যখন গোটা শহর জলমগ্ন। চারিদিক থেকে একের পর এক বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর খবর সামনে আসছে। তারই মাঝে শহরের বুকে ঘটল আরেক মর্মান্তিক ঘটনা। বাঁশদ্রোণী নর্দার্ন পার্কের একটি আবাসন থেকে উদ্ধার হল মা ও ছেলের পচাগলা দেহ। ঘটনাটিকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
সূত্রের খবর, স্বামীর মারা যাওয়ার পর থেকে বাঁশদ্রোণীর ওই আবাসনে মা - ছেলে একাই থাকতো। মৃতদের নাম শীলা দাশগুপ্ত ও তার একমাত্র ছেলে সুতীর্থ দাশগুপ্ত। সুতীর্থ একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন থেকেই মা-ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছিল না। মঙ্গলবার ফ্ল্যাট থেকে পচা গন্ধ বেরোতে শুরু করলে আবাসনের বাসিন্দারা বাঁশদ্রোণী থানায় খবর দেন।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দরজা ভেঙে প্রবেশ করতেই দেখে মেঝেতে পড়ে রয়েছে মা ও ছেলের দেহ। পুলিশের পক্ষ থেকে দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনাটি খুন নাকি আত্মহত্যা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আগামী ২২ এপ্রিল হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ
মোদিকে পাল্টা কটাক্ষ মদনের
মঙ্গলবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
ট্রাইবুন্যালের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে সক্রিয় শীর্ষ আদালত
মঙ্গলবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
বুধবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে তৎপর প্রশাসন
সোমবার হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
সোমবারের মধ্যে আদালতে পেশ করার নির্দেশ
দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রচারের ময়দানে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পূর্ণ বিষয়টি শুভেন্দু অধিকারীর চাল বলে অভিযোগ পুলিশ কর্তার পুত্রের
সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিমূলক খবর বলে দাবি তৃণমূলের
আটক করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সিজিও কমপ্লেক্সে
ইডি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
এই প্রথম রাজ্যসভার কোনো মনোনীত সংসদ ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হল...
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সমস্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ওই যুবক
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন