নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - বছরের শুরুতেই হঠাৎ স্বাধীনতা- পূর্ব প্রবর্তক জুটমিল বন্ধ হওয়ায় বিক্ষোভে নামলেন শ্রমিকরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে কামারহাটিতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বেলঘরিয়া থানার পুলিশ। তবে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি মালিকপক্ষ থেকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার কাজে এসে শ্রমিকরা মিলের গেটে একটি নোটিস দেখতে পান। যেখানে লেখা- অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হলো প্রবর্তক জুটমিল লিমিটেড। এই ঘোষণায় কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন প্রায় ১০০০ কর্মী। কবে দরজা খুলবে, কবে কাজে ফিরতে পারবেন, এই প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, মিল বন্ধের বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। কারখানায় পর্যাপ্ত কাঁচামাল রয়েছে, উৎপাদন চলছিল স্বাভাবিকভাবে। তা সত্ত্বেও হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে বাধ্য হয়ে এদিন বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও বচসা বাঁধে তাঁদের।
আন্দোলনরত শ্রমিক বিল্টু দত্ত জানান, 'ম্যানেজমেন্ট আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। নতুন বছরের শুরুতেই যখন ছেলেমেয়েদের স্কুলে ভর্তি হয়েছে, তখন কাজ না থাকলে কিভাবে চলবে। ইউনিয়নকেও কিছু জানানো হয়নি। অবিলম্বে কাজ ফিরিয়ে না দিলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে'।
সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য সায়নদ্বীপ মিত্র জানান, 'বহু প্রাচীন এই মিল শ্রমিকদের ত্যাগে টিকে ছিল। তারপরেও তাঁদের ঠকানো হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের নীরবতা প্রশ্ন তুলছে। এর পিছনে কোনও অসাধু উদ্দেশ্য রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার। অবিলম্বে কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দিতে হবে'।
অন্যদিকে অঞ্চলের কাউন্সিলর বিমল সাহা জানান, 'এই সিদ্ধান্ত অন্যায়ভাবে নেওয়া হয়েছে। সমস্যা যাই থাকুক, শ্রমিক বা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। মিলের মালিক বিজেপির দালাল, তাই এই অন্যায় করতে সাহস পেয়েছে। মিল খোলার জন্য যতদূর যেতে হয়, আমি যাব'।
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়