নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকা। অভিযোগ , গত মঙ্গলবার তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাধে সংঘর্ষ। ৪ দিন পেরোলেও এখনও রেশ কাটেনি সংঘর্ষের। ঘটনায় দুর্বিসহ পরিস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
সূত্রের খবর , গত মঙ্গলবার মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকায় তৃণমূলের ব্লক সাংগঠনিক রদবদলের পর থেকেই দানা বাঁধে কোন্দল। অভিযোগ , মন্ত্রী তাজমুল হোসেনের ভাই জম্মু রহমানের নির্দেশে জেলা পরিষদের সদস্য বুলবুল খানের ঘনিষ্ঠ দুই নেতার বাড়ি সহ দোকানে হামলা চালায় মন্ত্রীপন্থী কর্মীরা। এরপর বুধবার সকালে পাল্টা প্রতিবাদে রাস্তায় নামে বুলবুল ঘনিষ্ঠরা। জাতীয় সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তারা। অবস্থা বেগতিক দেখে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকারের নেতৃত্বে এলাকায় নামানো হয় র্যাফ সহ অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী।
এরপর ঘটনার ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও শান্তি ফেরেনি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকায়। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত এই অঞ্চলজুড়ে এখনো চলছে পুলিশ টহলদারি। আতঙ্কে রয়েছে সাধারণ মানুষ। শুক্রবার দোকানপাট খুললেও স্বাভাবিকের তুলনায় লোকজনের আনাগোনা অনেকটাই কম। সন্ধ্যার পর থেকে রাস্তা কার্যত শুনশান। পুজোর বাজারে সেই চেনা ভিড়ের দেখা নেই। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন , পরিস্থিতি যেকোনো সময় ফের উত্তপ্ত হতে পারে এই আশঙ্কায় তারা যথাসম্ভব সতর্ক থাকছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা এপ্রসঙ্গে জানান , ''এই রাজনৈতিক কোন্দলের জেরে আমাদের স্বাভাবিক জীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। বাচ্চারা বিদ্যালয়ে যেতে পারছেনা। আমরা বাজারে , চিকিৎসা কেন্দ্রে কোথাও যেতে পারছিনা। পুজোর আগে এরকম পরিস্থিতি আমরা মানতে পারছিনা। আমাদের সাধারণ জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে তৃণমূলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দে।''
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর