নিজস্ব প্রতিনিধি , শিলিগুড়ি - দু,দিন আগেই ভয়াবহ ধস নামে সেবকে। গত কয়েকদিন ধরেই লাগাতার বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত শিলিগুড়িবাসী। শেষ দুদিনে রোদের দেখা মিললেও লাভ হয়নি। ধসের জেরে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। গাছপালা সহ বড় পাথর পরে যানচলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। রাস্তা মেরামতির জন্য বেশকিছুদিন সময় চাওয়া হয়। তবে ফের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ধস নামে।
সেনাবাহিনীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে রাস্তা সারাইয়ের কাজ শুরু করে। পাহাড়ের পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করার চেষ্টা চালাতে থাকে। এরই মাঝে ফের ধস নামায় চিন্তায় রয়েছেন তারা। এমনকি এও জানিয়েছেন, এমনভাবে রাস্তায় চলাচল করলে আরও বড় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারেন সাধারণ মানুষ। বেশিরভাগ ট্রাক , পাহাড়ি গাড়ি দুপুরের পরে বেশি চলাচল করে তবে দুপুর দুটোর পর আর কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। রাস্তার এক প্রান্ত ধসে যাওয়ার পর এই ভীষণই আতঙ্কে রয়েছেন সেনাজওয়ানরা।
রাষ্ট মেরামতের কাজ যত শীঘ্রই সম্ভব শুরু করা হবে। আগামী দুদিন থেকে তিনদিন সেই রাস্তায় ভারী যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সেনাবাহিনীরা। আবহাওয়া ঠিক না হওয়া সত্ত্বেও তারা মেরামতির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে। এর মধ্যে সাধারণ মানুষদের দ্বারা আর কোনরকম বাড়তি ক্ষতি চাইছে না তারা। সকলের সহযোগিতা আশা করেছেন সেনাবাহিনী সহ পুলিশ প্রশাসন।
পাহাড়ের জনজীবন আপাতত ব্যাহত। পাঁচদিন পর জাতীয় সড়ক খুলে দেওয়া হলেও দুদিন আগে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয়। ধসের জেরে বন্ধ যান পরিষেবা। ভয়াবহ ধসে ভীষণই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। সেবকের বাগপুল ও কালি ঝোড়োর মাঝে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে নামে ধস। হুড়মুড়িয়ে ঝড়ে যায় মাটি সহ বড় পাথর। স্থানীয় মানুষের সাহায্য সেনাবাহিনীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্ঠা করেন। রাস্তার মাঝে পড়ে আছে বড় পাথর সহ কিছু কুচো পাথর। শুধু তাই নয় গাছপালায় ঢেকে গেছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। চলাচল ভীষণই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
শুধু যান পরিষেবা নয় , সমস্ত সুযোগ সুবিধে আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে সেবকের ওই রাস্তায়। পাহাড়ের পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেবক কালিঝোড়ো এলাকায় যান চলাচল একেবারেই বিপর্যস্ত। সঠিক সময়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন উদ্ধারকারীরা। ফের বিপদের মুখে পড়েছেন তারা। তবে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়