নিজস্ব প্রতিনিধি , লন্ডন - প্রতি বছর ডিসেম্বর এলেই লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ার নতুন করে আলোকিত হয়। তবে এই আলো শুধু উৎসবের নয়, এটি ইতিহাস, কৃতজ্ঞতা আর বন্ধুত্বেরও প্রতীক। ১৯৪৭ সাল থেকে নরওয়ে প্রতিবছর একটি বিশালাকৃতির ক্রিসমাস ট্রি উপহার দিয়ে আসছে যুক্তরাজ্যকে—যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের সহযোগিতার প্রতি নরওয়ের গভীর কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে নাৎসি জার্মানির দখলে পড়ে নরওয়ে। সে সময় নরওয়ের রাজপরিবার ও সরকার লন্ডনে আশ্রয় নেয়। ব্রিটেন শুধু আশ্রয়ই দেয়নি, বরং নরওয়েজিয়ান প্রতিরোধ আন্দোলনকে সংগঠিত করতে, সামরিক সহায়তা দিতে এবং কূটনৈতিকভাবে পাশে দাঁড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। যুদ্ধ শেষে সেই বন্ধনের স্মারক হিসেবেই শুরু হয় এই ব্যতিক্রমী উপহার দেওয়ার প্রথা।
গাছটি সাধারণত অসলো শহরের বনাঞ্চল থেকে বাছাই করা হয়। এটি একটি নরওয়েজিয়ান স্প্রুস, যার উচ্চতা প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিটার এবং বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। বছরের পর বছর ধরে সম্ভাব্য গাছগুলোকে চিহ্নিত করে রাখা হয়, যাতে সেরা গাছটি নির্বাচন করা যায়। নির্বাচনের পর নরওয়েতে একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গাছটি কাটা হয়, যেখানে স্থানীয় শিশু, কর্মকর্তারা ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এরপর শুরু হয় দীর্ঘ যাত্রা—ট্রাক ও জাহাজে করে উত্তর সাগর পাড়ি দিয়ে গাছটি পৌঁছায় লন্ডনে। ট্রাফালগার স্কয়ারে স্থাপন শেষে এটি সাজানো হয় নরওয়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী: শুধুমাত্র সাদা আলো, কোনো ঝলমলে অলংকার নয়। এই সরল সাজই স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সংস্কৃতির প্রতিফলন।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আলো জ্বালানোর অনুষ্ঠানটি লন্ডনের শীতকালীন ক্যালেন্ডারের অন্যতম আকর্ষণ। নরওয়ে ও যুক্তরাজ্যের মেয়র, কূটনীতিক এবং হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে বর্ণময় ।
একসময় উত্তরবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ত্যারেয়া ফেলার মাধ্যমে শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে স্বাগত জানানোর রেওয়াজ ছিল
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
এই বিশ্বাসের পেছনে জ্যোতিষশাস্ত্র ও আগমশাস্ত্রের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে, যা বহু মানুষ আজও মানেন
হিন্দু পুরাণে যক্ষদের অধিপতি হিসেবে পরিচিত কুবের যিনি ধনসম্পদের দেবতা এবং উত্তর দিকের দিকপাল
কাশে বাতাসে প্রতিধ্বনি হল সেই চিরন্তন সত্য নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান , বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান
উদ্যোগটি ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয় মহলে
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে অস্থায়ী কেনাকাটার আয়োজন
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর