নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকটের জেরে এবার ভোগ পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল তমলুক বর্গভীমা মন্দির কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় উদ্বেগ ও হতাশা ছড়িয়েছে দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের মধ্যে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম এই পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতিদিন নিয়ম করে দেবীর জন্য ভোগ প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি প্রতিনিয়ত প্রায় ৫০০ থেকে ৮০০ পুণ্যার্থী সেই প্রসাদ গ্রহণ করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটের কারণে সেই ব্যবস্থা বজায় রাখা কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২০ মার্চের পর থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য দেবীর ভোগ বিতরণ আপাতত বন্ধ রাখা হবে।

কমিটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যাঁরা আগাম প্রসাদের বুকিং করেছিলেন তাঁদেরও ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত থাকবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় পুণ্যার্থীদের জন্য প্রসাদ বিতরণ শুরু করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
দর্শনার্থী মিঠু কান্ডার বলেন, 'ভোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত আমি সমর্থন করি না। হোটেলগুলো বন্ধ হলেও অসুবিধা নেই, কিন্তু দেবীর মন্দিরে রান্না বন্ধ হওয়া উচিত নয়। আমরা অনেক আশা নিয়ে এখানে এসে প্রসাদ গ্রহণ করি। সেই সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলে সবারই খারাপ লাগবে'।

অন্য এক দর্শনার্থী বন্দনা মুখার্জী জানান, 'আমি কলকাতা থেকে এসেছি। আমার মা কিছুদিন আগে স্বপ্নে দেবীর নির্দেশ পেয়েছিলেন। আগে কখনও এখানে আসিনি। বিভিন্ন ব্লগারের ভিডিও দেখে এই তীর্থস্থানে এসেছি। সুন্দরভাবে পূজা দিলাম। ভোগ বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের জন্য তা বড় ক্ষতি হবে। বহু দূর থেকে মানুষ আশা নিয়ে এখানে প্রসাদ নিতে আসেন'।
মন্দির কমিটির সদস্য শিবাজী অধিকারী বলেন, '২ বছর আগেও এখানে কাঠের জ্বালানিতে রান্না হত। বর্তমানে সম্পূর্ণ রান্নার ব্যবস্থা গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। দেবীর মূল ভোগের আয়োজন আমাদের যেকোনোভাবে বজায় রাখতে হবে। পরিস্থিতির চাপে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। এর জন্য আমরাও দুঃখিত'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়