নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার - রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের আবহে কাটমানি-সহ তোলাবাজির অর্থ ফিরিয়ে দিলেন অভিযুক্ত একাধিক তৃণমূল নেতা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মাথাভাঙা-১ ব্লকে। বিরোধীরা একে ‘ভয়ের সংস্কৃতি’র ফল বলে কটাক্ষ করলেও, এই পর্বে শাসক শিবিরের অস্বস্তি আরও বেড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ফকিরেরকুঠি অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে কয়েক জন তৃণমূল কর্মী ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয়দের কথায়, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের পর আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়া, জমি সংক্রান্ত জটিলতা মেটানো কিংবা প্রশাসনিক কাজ দ্রুত করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্ক নেওয়া হয়। রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করেও অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ সামনে আসে। তবে প্রতিশ্রুতির কোনও কাজই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।
বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দেন, কাটমানি কিংবা তোলাবাজি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের অভিযোগে জড়িত বেশ কয়েক জন নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। এই পরিস্থিতিতেই রবিবার স্থানীয় স্কুলমাঠে একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত থেকে এক বুথ সভাপতি কয়েক জনের হাতে ফেরত অর্থ তুলে দেন।
যদিও অভিযুক্তদের অনেকেই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন বলে দাবি গ্রামবাসীদের। তবে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত এক তৃণমূল নেতার বাবা, ছেলের অনুপস্থিতিতে একাধিক ব্যক্তির পাওনা মিটিয়ে দেন। অভিযোগকারীদের নাম নথিভুক্ত করে ধাপে ধাপে বকেয়া ফেরতের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মন্তব্য করতে চাননি।
ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা সুদীপ দাস জানান, 'জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাসে আমার কাছ থেকে ভালো পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও অগ্রগতি চোখে পড়েনি। পরে শুনি ফেরত দেওয়া হচ্ছে। তাই এখানে এসে নাম নথিভুক্ত করি। শেষ পর্যন্ত টাকাও হাতে পেয়েছি'।
অন্যদিকে মিঠুন বর্মণ বলেন, 'রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে আমি ও আমার ভাইয়ের কাছ থেকেও জোর করে টাকা আদায় করা হয়েছিল। রবিবার আমরাও সেই তালিকায় ছিলাম। প্রাপ্য অর্থ ফিরে পেয়ে অন্তত স্বস্তি মিলেছে'।
এ বিষয়ে বিজেপির মাথাভাঙা-৪ মণ্ডল সভাপতি সুরেন্দ্র বর্মণ অভিযোগ করেন, 'প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এলাকার কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও এক পঞ্চায়েত সদস্য মিলিয়ে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। এখনও সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। তবে কিছু পরিবার তাঁদের পাওনা বুঝে পেয়েছেন'।
জ্ঞানানন্দ সামন্তকে মারধরের ঘটনায় কড়া বার্তা, দোষীদের গ্রেফতারের দাবি
তালা-চাবির গোছা দিয়ে বিজেপি নেতার মাথায় আঘাতের অভিযোগ
জল-কাদায় মাখা গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য
রাসায়নিক ও নানা উপাদান মিশিয়ে দুধ তৈরির অভিযোগ, নমুনা পাঠানো হল পরীক্ষাগারে
গাজোলের কসবা এলাকায় খাড়ির মধ্যে থেকে উদ্ধার নন্দ দাসের দেহ , মদ্যপ অবস্থায় পড়ে যাওয়ার সন্দেহ স্থানীয়দের
আগুনের ধোঁয়ায় অসুস্থ একাধিক
চাপড়ার হাঁটরায় খামারে ঢুকে নির্যাতনের অভিযোগ , ভেড়ার শরীরে আঘাতের চিহ্ন
আলু-পেঁয়াজ থেকে মাছ-মাংস, একাধিক বাজারে অভিযান
ইউপিআই লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার হদিস
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের