নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হতে না হতেই আবারো তৃণমূলের প্রাক্তন মেম্বারসহ দুই কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে তাহেরপুর বারাসাত পঞ্চায়েত এলাকায়। আক্রান্ত ব্যক্তিরা বর্তমানে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার বাসিন্দা রিপন দাস পঞ্চায়েতের একজন প্রাক্তন তৃণমূল সদস্য। শুক্রবার বিকেলে তিনি বিশ্বনাথ নামে অপর এক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় একটি দোকানে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেখান থেকেই তাদের আচমকা ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই তাদের ওপর অতর্কিতে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও কাঠের চ্যালা দিয়ে তাদের ওপর বেধড়ক হামলা চালানো হয়।
ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন ওই দুই তৃণমূল কর্মী। আক্রান্তদের দাবি, নির্বাচনের পর ওই এলাকার একটি দলীয় কার্যালয় দখল করে নিয়েছিল বিজেপি। পরবর্তীতে সেটি আবারো হস্তান্তর করা হলেও রিপন দাসের ওপর আক্রোশ থেকে গিয়েছিল গেরুয়া শিবিরের। সেই আক্রোশ থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আহত প্রাক্তন তৃণমূল মেম্বার রিপন দাস জানান, ‘দুজন লোক আমাকে ডেকে কথা বলতে শুরু করে। হঠাৎ তারা পেছন থেকে দা ও রড দিয়ে মারধর শুরু করে। বিশ্বনাথ দাদা প্রতিবাদ করতে এলে তাকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। আমরা তৃণমূল করি বলেই আমাদের ওপর এই হামলা হয়েছে। পার্থ বিশ্বাসের নেতৃত্বে এই কাজ করা হয়েছে। আমার মাথায় ও হাতে গুরুতর আঘাত লেগেছে'।
ভাটপাড়ায় আবার বারুদের গন্ধ! পরিত্যক্ত বাড়িতে ৩ সকেট বোমা ঘিরে হুলস্থুল
যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির
এই দুর্ঘটনার জেরে মাঝপথেই ভেস্তে যায় গেরুয়া শিবিরের ওই মিছিল
শাসকদলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ
হিংসামুক্ত রাজ্য গড়তে বদ্ধ পরিকর বিজেপি
ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ
অভিরূপের প্রাপ্ত ৬৯৮
আপাতত কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি
চন্দ্রনাথের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন শুভেন্দু অধিকারী
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে