নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - রাজ্যে নতুন সরকার গঠন হতেই তৃণমূল নেতাকে খুনের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোঘাট এলাকায়। মৃত ব্যক্তিকে বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , মৃতের নাম সহদেব বাগ। তিনি নকুণ্ডার কোটা এলাকার বাসিন্দা, একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার স্ত্রী চায়না বাগ স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্যা। পরিবারের দাবি, শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন সহদেব। রাত বাড়লেও তিনি আর ঘরে ফেরেননি। রবিবার সকালে এক মহিলা বাজারে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে উপুড় হয়ে রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। তার চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে জমা হয় স্থানীয়রা।
দেহের পাশে একটি কাঠের মুগুর পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মাথায় রয়েছে গভীর আঘাতের চিহ্ন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তাকে ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সেই প্রতিহিংসা থেকেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই খুন করা হয়েছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে জানান, 'আমার বাবা তৃণমূল করতেন। ভোটের পর থেকেই বাবাকে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হতো। যেহেতু নকুণ্ডায় তৃণমূল হেরে গিয়েছে, সেই আক্রোশ থেকেই বিজেপি বাবাকে খুন করেছে। আমরা খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও কঠোরতম শাস্তি চাই'।
ভাটপাড়ায় আবার বারুদের গন্ধ! পরিত্যক্ত বাড়িতে ৩ সকেট বোমা ঘিরে হুলস্থুল
এই দুর্ঘটনার জেরে মাঝপথেই ভেস্তে যায় গেরুয়া শিবিরের ওই মিছিল
শাসকদলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ
হিংসামুক্ত রাজ্য গড়তে বদ্ধ পরিকর বিজেপি
ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ
অভিরূপের প্রাপ্ত ৬৯৮
আপাতত কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি
চন্দ্রনাথের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন শুভেন্দু অধিকারী
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে