নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - সৈন্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও শৃঙ্খলার প্রতীক হিসেবে স্যালুট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভঙ্গি। এই ছোট্ট অথচ অর্থবহ অঙ্গভঙ্গির মধ্য দিয়ে একজন সৈনিক শুধু তার ঊর্ধ্বতনকে নয়, একই সঙ্গে দেশের পতাকা, ইউনিফর্ম এর প্রতিও শ্রদ্ধা জানায়। ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর তিনটি শাখা—স্থল সেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনা—প্রতিটিই নিজস্ব ঐতিহ্য ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে স্যালুট করে।

প্রথমেই আসা যাক ভারতীয় সেনাবাহিনীর কথায়। স্থল সেনার স্যালুটের পদ্ধতিতে হাতের তালু সামনে থাকা ব্যক্তির দিকে খোলা থাকে। আঙুলগুলি একসঙ্গে সোজা করে ধরে, মধ্যমা প্রায় ভ্রুর কাছে স্পর্শ করে এই ভঙ্গি সম্পন্ন করা হয়। এই খোলা তালু এক ধরনের প্রতীকী বার্তা বহন করে—অভিবাদনকারী নিরস্ত্র, তার কোনো গোপন উদ্দেশ্য নেই এবং সে সম্পূর্ণ আস্থার সঙ্গে সম্মান জানাচ্ছে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সামরিক জীবন—সব জায়গাতেই এই স্যালুট শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে তোলে।

নৌসেনার স্যালুট আবার কিছুটা আলাদা। এখানে হাতের তালু ভূমির দিকে থাকে এবং বাহু প্রায় ৯০ ডিগ্রি কোণে ভাঁজ করে রাখা হয়। এই বিশেষ ভঙ্গির পেছনে রয়েছে এক বাস্তবধর্মী ইতিহাস। সমুদ্রযাত্রা ও জাহাজে কাজ করার সময় নৌসেনাদের হাতে প্রায়ই তেল, লুব্রিক্যান্ট বা অন্যান্য ময়লা লেগে যায়। সেই ময়লা তালু প্রকাশ না করেই সম্মান প্রদর্শনের জন্যই তালু নিচের দিকে রেখে স্যালুট করার রীতি গড়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পদ্ধতি নৌসেনার স্বতন্ত্র পরিচয়ে পরিণত হয়েছে।

ভারতীয় বায়ুসেনা, স্যালুটের ক্ষেত্রে একটি মাঝামাঝি ধরণ অনুসরণ করে। ২০০৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বায়ুসেনার স্যালুট ছিল সেনাবাহিনীর মতোই। তবে এরপর একটি নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়, যেখানে হাত ভূমি থেকে প্রায় ৪৫ ডিগ্রি কোণে রাখা হয়। আকাশে উড়ন্ত বিমানের ডানার মতো । এই ভঙ্গি একদিকে সেনাবাহিনীর স্যালুটের খোলা ও দৃঢ়তা, অন্যদিকে নৌসেনার শালীনতা—দুয়েরই সমন্বয় ঘটায়।

তিন বাহিনীর স্যালুটের এই ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি দেখলে বোঝা যায়, সামরিক শৃঙ্খলা শুধু নিয়মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা ইতিহাস, পেশাগত বাস্তবতা ও মূল্যবোধের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। একটি স্যালুট—যা বাহিনীভেদে আলাদা হলেও তার মূল সুর একই, দেশে ও সংবিধানের প্রতি অটল আনুগত্য।
তিন বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি একাধিক অত্যাধুনিক মিসাইল ভারতের নিরাপত্তা বলয়কে আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলেছে
এটি কেবল একটি আমদানি চুক্তি নয় বরং ভারত-রাশিয়ার যৌথ প্রযুক্তিগত ভিত্তি
ইরানের মতো শক্তিধর আঞ্চলিক শক্তির বিরুদ্ধে এই যুদ্ধজাহাজ আসলে কতটা কার্যকর ও ভয়ঙ্কর?
প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অনেকাংশেই নির্ভর করে এই সীমান্তগুলির স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার উপর
বিশ্বের একমাত্র অশ্বারোহী রেজিমেন্ট
আতঙ্কেই ভুগছেন আমেরিকাবাসী
শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক
মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পরই বাণিজ্যচুক্তি
মোদির ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
শেয়ার বাজারের উত্থানে আনন্দে আত্মহারা বিনিয়োগকারীরা