নিজস্ব প্রতিনিধি , বেঙ্গালুরু - ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিতে আত্মনির্ভরতার আর একটি সোপান। রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান সু-৫৭ নিয়ে নতুন আলোচনায় এসেছে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশনের (UAC) সিইও ভাদিম বাদেখা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভারতের জন্য নির্মিত সু-৫৭ বিমানে “সর্বাধিক ব্যবহার হবে ভারতীয় শিল্প ও ভারতীয় সিস্টেমের।” এই ঘোষণাই ইঙ্গিত দিচ্ছে, এটি কেবল একটি আমদানি চুক্তি নয়—বরং ভারত-রাশিয়ার যৌথ প্রযুক্তিগত ভিত্তি।

এই প্রস্তাব অনুযায়ী, সু-৫৭ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে HAL-এর নাসিক কারখানাকে অ্যাসেম্বলি ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে ভারত ধীরে ধীরে পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ প্রযুক্তির রক্ষণাবেক্ষণ, রাডার শোষণকারী উপাদান (RAM) প্রয়োগ এবং স্বাক্ষর ব্যবস্থাপনার মতো স্পর্শকাতর দক্ষতা আয়ত্ত করতে পারবে।
প্রস্তাবিত মডেলে ভারতের নিজস্ব উন্নত প্রযুক্তির সংযোজন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। DRDO-র তৈরি উত্তম AESA রাডার সু-৫৭-এ যুক্ত হলে ভারত নিজেই রাডারের ওয়েভফর্ম, ইলেকট্রনিক আপগ্রেড নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। পাশাপাশি দেশীয় ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, জ্যামিং ও ডিজিটাল রাডার ওয়ার্নিং রিসিভার সংযোজনের মাধ্যমে বিমানের সার্ভাইভেবিলিটি আরও বাড়বে, বিশেষত চীন সীমান্ত ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উচ্চ-ঝুঁকির আকাশ যুদ্ধের ক্ষেত্রে ।

সু-৫৭-এর অভ্যন্তরীণ অস্ত্রভাণ্ডার ও হার্ডপয়েন্টে ভারতের তৈরি অস্ত্র এমকে-১ ও এমকে-২ বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে আকাশযুদ্ধে লক্ষ্যভেদ, সিকার প্রযুক্তি ও ডেটা লিংকের উপর ভারতের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। পাশাপাশি ব্রহ্মোস-এ বা ভবিষ্যতের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজন হলে সু-৫৭ পরিণত হবে গভীর আঘাত হানার স্টেলথ প্ল্যাটফর্মে ।
ইঞ্জিন উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ এই প্রকল্পের সবচেয়ে সংবেদনশীল দিক। রাশিয়ার উন্নত ‘ইজদেলিয়ে ৩০’ ইঞ্জিনে ভারতীয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে কাবেরি প্রকল্প থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে

চীনের জে-২০ স্টেলথ বিমানের মোকাবিলায় সু-৫৭ ভারতের আকাশ শক্তিকে কৌশলগত সুবিধা দেবে। একই সঙ্গে এটি ইন্দো-রাশিয়া প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং ভারতকে কেবল ক্রেতা নয়, সহ-নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
সু-৫৭ প্রকল্প যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি ভারতের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে একটি মাইলফলক হবে। এই কর্মসূচি শুধু ভারতীয় বিমান বাহিনীর ক্ষমতা বাড়াবে না, বরং দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে বৈশ্বিক মানচিত্রে নতুন অবস্থানে পৌঁছে দেবে।
তিন বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি একাধিক অত্যাধুনিক মিসাইল ভারতের নিরাপত্তা বলয়কে আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলেছে
ইরানের মতো শক্তিধর আঞ্চলিক শক্তির বিরুদ্ধে এই যুদ্ধজাহাজ আসলে কতটা কার্যকর ও ভয়ঙ্কর?
প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অনেকাংশেই নির্ভর করে এই সীমান্তগুলির স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার উপর
বিশ্বের একমাত্র অশ্বারোহী রেজিমেন্ট
প্রতিটিই নিজস্ব ঐতিহ্য ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে স্যালুট করে
আতঙ্কেই ভুগছেন আমেরিকাবাসী
শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক
মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পরই বাণিজ্যচুক্তি
মোদির ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
শেয়ার বাজারের উত্থানে আনন্দে আত্মহারা বিনিয়োগকারীরা