নিজস্ব প্রতিনিধি , জয়পুর - ২৬ জানুয়ারির নয়াদিল্লির কর্তব্য পথের সকালটা যেন ইতিহাস আর আধুনিকতার এক মঞ্চে পরিণত হয়েছিল। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে সামনে এগিয়ে আসে ভারতের সামরিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত প্রতীক—৬১তম ক্যাভালরি। বিশ্বের একমাত্র অশ্বারোহী রেজিমেন্ট ।

ক্যাপ্টেন আহান কুমারের নেতৃত্বে ঘোড়সওয়ার বাহিনী যখন সারিবদ্ধভাবে অগ্রসর হয়, তখন চোখে পড়ে তাদের শৃঙ্খলা আর ঐতিহ্যের ছাপ। ‘অশ্ব শক্তি যশোবল’—এই মন্ত্র শুধু একটি স্লোগান নয়, এটি রেজিমেন্টের আত্মা। ১৯৫৩ সালে গঠিত এই ইউনিটের শিকড় পৌঁছে গেছে ১৯১৮ সালের ঐতিহাসিক হাইফা ক্যাভালরি চার্জ পর্যন্ত, যা সামরিক ইতিহাসে শেষ বড় ঘোড়সওয়ার আক্রমণ হিসেবে আজও স্মরণীয়। বিশ্বের একমাত্র সক্রিয় ঘোড়সওয়ার রেজিমেন্ট হিসেবে ৬১তম ক্যাভালরি শুধু কুচকাওয়াজের সৌন্দর্যই নয়, বাস্তব অভিযানের দায়িত্বও সামলায়—গুজরাট, রাজস্থান ও পাঞ্জাবের মতো অঞ্চলে ছোট দলে তথ্য সংগ্রহের কাজ করে তারা।

এই বাহিনীর সাফল্য কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। ৩৯টি ব্যাটল অনারের পাশাপাশি তাদের নাম জ্বলজ্বল করে ক্রীড়াঙ্গনেও। পোলো ও অশ্বারোহণে অসামান্য অবদানের জন্য ১২টি অর্জুন পুরস্কার অর্জন করেছে এই রেজিমেন্ট—যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে এক বিরল নজির। অলিম্পিক ও এশিয়ান গেমসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তারা গর্বের ছাপ রেখেছে।

ঘোড়ার খুরের শব্দ মিলিয়ে যেতেই সামনে আসে আধুনিক ভারতের সামরিক শক্তির প্রতিচ্ছবি। ৬ ল্যান্সার্সের নেতৃত্বে প্রদর্শিত হয় স্বদেশি হাই মোবিলিটি রিকনিসান্স ভেহিকল বা HMRV। মাহিন্দ্রা ডিফেন্স সিস্টেমসের তৈরি ‘তক্ষক’ প্ল্যাটফর্মে বসানো এই যানটি গভীর নজরদারি ও বিশেষ অভিযানের জন্য এক আধুনিক অস্ত্রভাণ্ডার। রাডার, ড্রোন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি দিয়ে সজ্জিত এই যান শত্রুপক্ষের গতিবিধি নজরে রাখতে যেমন সক্ষম, তেমনি প্রয়োজনে নির্ভুল আঘাত হানতেও প্রস্তুত। শক্তপোক্ত সুরক্ষা ও গতিশীল নকশা একে সীমান্ত এলাকায় কার্যকর করে তুলেছে।

এই প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ তাই শুধু সামরিক শক্তির প্রদর্শনী ছিল না।ঘোড়সওয়ার ক্যাভালরির গর্ব থেকে শুরু করে তক্ষকের আধুনিক সক্ষমতা—সব মিলিয়ে ৬১তম ক্যাভালরির আত্মবিশ্বাসী, আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা শক্তির প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে।
তিন বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি একাধিক অত্যাধুনিক মিসাইল ভারতের নিরাপত্তা বলয়কে আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলেছে
এটি কেবল একটি আমদানি চুক্তি নয় বরং ভারত-রাশিয়ার যৌথ প্রযুক্তিগত ভিত্তি
ইরানের মতো শক্তিধর আঞ্চলিক শক্তির বিরুদ্ধে এই যুদ্ধজাহাজ আসলে কতটা কার্যকর ও ভয়ঙ্কর?
প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অনেকাংশেই নির্ভর করে এই সীমান্তগুলির স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার উপর
প্রতিটিই নিজস্ব ঐতিহ্য ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে স্যালুট করে
আতঙ্কেই ভুগছেন আমেরিকাবাসী
শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক
মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পরই বাণিজ্যচুক্তি
মোদির ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
শেয়ার বাজারের উত্থানে আনন্দে আত্মহারা বিনিয়োগকারীরা