নিজস্ব প্রতিনিধি , মাদ্রিদ - বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে প্রায় নাস্তানাবুদ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা রিয়াল মাদ্রিদের। মঙ্গলবার গভীর রাতে ইউসিএল কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় বায়ার্ন মিউনিখ। বিপক্ষের ঘরের মাঠে দুরন্ত ফুটবল উপহার দেয় জার্মান শিবির। অপ্রতিরোধ্য মাইকেল অলিসে। মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের নিয়ে ছিনিমিনি খেলেন তিনি। রিয়ালের হয়ে একটি গোল আসে কিলিয়ান এমবাপের পা থেকে।
মাদ্রিদের ঘরের মাঠে পুরো প্রথমার্ধ ছিল বায়ার্নের। একটি সহজ ফ্রি কিক পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ অলিসে। এরপর বারংবার তার নেতৃত্বে আক্রমণ হয় রিয়ালের বক্সে। বাঁদিক থেকে লুইজ ডিয়াজও ছিলেন তেমনি সক্রিয়। সার্জ গানাব্রি একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও মাদ্রিদ গোলরক্ষক অ্যাড্রিয়ান লুনিনের হাতে মারেন। প্রথমার্ধে সামান্য কিছু আক্রমণ করলেও সেইভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারছিল না রিয়াল মাদ্রিদ। ভিনিসিয়স জুনিয়র বেশ কয়েকটি প্রয়াস করেও ম্যানুয়েল ন্যুয়েরের কাছে আটকে যান। এরপর বিল্ড আপ প্লে থেকে গানাব্রির ঠিকানা লেখা পাসে গোলরক্ষকের ডানদিক থেকে জালে বল জড়িয়ে দেন লুইস ডিয়াজ। প্রথমার্ধে ১ গোলে এগিয়ে থেকেই সাজঘরে যায় বায়ার্ন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রিয়ালকে ধাক্কা দেয় বায়ার্ন। প্রতি আক্রমণ করার আগেই ফের একটি গোলের বোঝা চাপিয়ে দেন ভিনসেন্ট কোম্পানির দল।মাইকেল অলিসের পাসে বক্সের কিনারা থেকে নিচু শটে গোলের দরজা খুলে নেন ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। এরপর শুরু হয় মাদ্রিদের দাপট। বরাবরের মতই গোল হজম করার পর চেগে ওঠে ঘরোয়া শিবির। শুরু হয় ভিনি , ভালভার্দের প্রেসিং। একের পর এক ক্রস , কাটব্যক করলেও কোনোভাবে গোল আসছিল না। উপরন্তু ন্যুয়েরের অনবদ্য গোলকিপিং। এমবাপের একটি শট শরীর ছুঁড়ে বাঁচিয়ে দেন তিনি। ন্যুয়ের বলেই হয়তো অত শীঘ্রই নিচু হয়ে বাঁচিয়ে দিলেন তিনি। হতাশা চোখে পড়ে ফরাসি স্ট্রাইকারের। এরপর আরও একটি গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
এরপর বায়ার্নও প্রতি আক্রমণ মূলক ফুটবল খেলতে শুরু করে। অলিসে বারংবার মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের ভেল্কি দিয়ে বেরোতে থাকেন। এরপর মাঠে নামেন জুড বেলিংহাম। আক্রমণের ধার বাড়ে রিয়াল মাদ্রিদের। ঠিক কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের জাত ছিনিয়ে দিলেন ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আর্নল্ড। যার জন্য তিনি পরিচিত। ওভারল্যাপিং থেকে রকেটের গতিতে বক্সে মাইনাস করেন তিনি। দক্ষ স্ট্রাইকারের মত জালে বল ভরে দেন এমবাপে। এরপর আর কোনো দলই গোল পায়নি। চেষ্টা করেও ব্যবধান কমাতে পারেনি রিয়াল।
পরের ম্যাচ বায়ার্নের ঘরের মাঠে। যেখানে ১ গোলের ব্যবধান কোনো দলের জন্যই নিরাপদ নয়। সেখানে প্রতিপক্ষ যদি হয় রিয়াল মাদ্রিদ। ৪৮ শতাংশ বল পজিশন নিয়ে ২১ টি শট নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। যার অধিকাংশই ছিল দ্বিতীয় হাফে। অন্যদিকে ১৮ টি শট নেয় বায়ার্ন। এই জয় নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বায়ার্ন মিউনিখের। অন্য ম্যাচে , স্পোর্টিং লিসবনের বিরুদ্ধে ১ গোলে জয় পায় আর্সেনাল। অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন কাই হাভার্টজ।
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...